বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের ১১টি জেলায় সংঘটিত পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহতের পাশাপাশি আরও অনেকে আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বড় দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারের চকরিয়া ও নেত্রকোনায়, যেখানে নারীসহ মোট ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নওগাঁ, গাইবান্ধা, ফেনী, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও যশোরে আরও ৮ জন নিহত হয়েছেন।
ভোরের দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদ সংলগ্ন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় লেগুনার ৪ যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। একইদিনে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার ময়মনসিংহ-নেত্রকোণা আঞ্চলিক মহাসড়কের নারান্দিয়া এলাকায় সারবোঝাই ট্রাক ও পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়।
অন্যান্য দুর্ঘটনার মধ্যে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-ধামইরহাট আঞ্চলিক সড়কের বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। একই সময়ে ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নে মুহুরীগঞ্জ এলাকার ইকবাল সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে এক কারখানা শ্রমিক প্রাণ হারান।
দুপুরের দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লং হেভিকেলের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল চালক এবং গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দিগনগর এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় আরও এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হন। দুপুরে যশোরের বেনাপোল ভবেরবেড় বাইপাস সড়কে লোহার গ্রিল বোঝাই ভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক মাদ্রাসা শিক্ষক এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী প্রাণ হারান। এছাড়া বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলার রাজবাড়ী-বালিয়াকান্দি সড়কে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক আরোহী এবং গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক নারী নিহত হয়েছেন।

















