‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভোলার উপকূলীয় উপজেলা চরফ্যাশনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও আধুনিক চাষপদ্ধতির প্রসারে গুরুত্বারোপ করা হয়।
রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এবং প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে মৎস্য খাতের ভূমিকা অপরিহার্য। চরাঞ্চলের চাষিদের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে মাছ চাষে উৎসাহিত করার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে সভায় জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ উপজেলার তিনজন সফল উদ্যোক্তা ও চাষিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অতিথিরা মেরিকালচারে সাফল্যের জন্য হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল মোতালেব (পিতা: মো. মহসিন), কার্প মিশ্র চাষে অবদানের জন্য জিন্নাগড় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের এস এম রাশেদ (পিতা: আবদুল রব) এবং সফল মৎস্য উদ্যোক্তা হিসেবে নূরাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. রাকিব হোসেনের (পিতা: মো. মোস্তফা) হাতে সম্মাননা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী ও মৎস্যচাষিরা অংশগ্রহণ করেন।

















