ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের একটি উপকূলীয় শহরে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন বাহিনীর ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার ঘটা এই হামলায় নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে এবং আরও ৬৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার এক কঠোর বার্তায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মেজর জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদি এই হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মার্কিন ‘অপরাধী বাহিনীর’ হাতে নিহত শহীদদের নিরপরাধ রক্ত কখনো ভুলে যাওয়া হবে না এবং এই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও শাস্তি অবশ্যই কার্যকর করা হবে।
মেজর জেনারেল ওয়াহিদি আরও বলেন, বিয়ের মতো নিরাপদ পরিবেশে নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর এই সন্ত্রাসী ও অমানবিক হামলার মাধ্যমে বিশ্বের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের অশুভ ও শয়তানি চেহারা আবারও উন্মোচিত হয়েছে। তার মতে, এই হামলা বিপ্লব ও ইসলামী ব্যবস্থার শত্রুদের গভীর ঘৃণা ও শত্রুতার বহিঃপ্রকাশ। একই সঙ্গে এটি ইরানি জনগণের ইস্পাতকঠিন সংকল্পের সামনে শত্রুদের অসহায়ত্ব ও হতাশাকেও স্পষ্ট করে তুলেছে।
নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা এবং মহান ইরানি জাতির প্রতিও আমি সমবেদনা জানাচ্ছি। আইআরজিসি প্রধান জোর দিয়ে বলেন, তারা হরমুজের যুদ্ধসহ ইসলামী ইরানের সার্বভৌমত্বের জন্য প্রাণ দেওয়া সকল শহীদের রক্তের পবিত্রতার রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী সর্বশক্তি ও সামর্থ্য দিয়ে জাতি ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দেয়া এক বার্তায় আইআরজিসি প্রধান মেজর জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদি এই হুঁশিয়ার বার্তা দিয়েছেন। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সির। গত মঙ্গলবার ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের একটি উপকূলীয় শহরে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এতে এক শিশুসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে আরও ৬৮ জন।

















