বাংলাদেশ

সংকুচিত শ্রমবাজার, নতুন গন্তব্যে প্রতারণার শিকার প্রবাসীরা

প্রতিবেদক
দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি এশিয়া কাপ হকিতে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ এশিয়া কাপ হকিতে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ চাকরির আশায় কম্বোডিয়া গিয়ে স্ক্যাম সেন্টারে ১৭ দিন বন্দী শফিকুল চাকরির আশায় কম্বোডিয়া গিয়ে স্ক্যাম সেন্টারে ১৭ দিন বন্দী শফিকুল গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার শর্তাবলী নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার শর্তাবলী নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি ফল আনারকলির চাষ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি ফল আনারকলির চাষ বিআরটিএ কর্মকর্তা মাসুদ আলমের বদলি, ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য ফের আলোচনায় বিআরটিএ কর্মকর্তা মাসুদ আলমের বদলি, ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য ফের আলোচনায় ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড়: উত্তরণের উপায় কী? ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড়: উত্তরণের উপায় কী? গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে লংমার্চে নাহিদের আল্টিমেটাম গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে লংমার্চে নাহিদের আল্টিমেটাম জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার, অভিযোগ জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার, অভিযোগ জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের
সব খবর

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বড় শ্রমবাজারগুলো সংকুচিত হয়ে আসায় কর্মীরা ঝুঁকিপূর্ণ নতুন গন্তব্যের দিকে ঝুঁকছেন, যেখানে তাঁরা প্রায়শই প্রতারণা ও মানব পাচারের শিকার হচ্ছেন। লক্ষ্মীপুরের জাহাঙ্গীর আলমকে গত বছর বাবুর্চির কাজ দেওয়ার কথা বলে রাশিয়ায় পাঠানো হলেও তাঁকে সরাসরি ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সাত মাস পর বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে দেশে ফিরে আসা জাহাঙ্গীর জানান, শুরুতে প্রশিক্ষণ ছাড়াই অস্ত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং পরে একদিন তা চালানো শেখানো হয়। যুদ্ধের ক্যাম্পে তাঁদের ১৬ জনের মধ্যে চারজন মারা যাওয়ার পর তিনি আতঙ্কে দিন কাটাতেন। অসুস্থ হয়ে দুই মাস হাসপাতালে কাটিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরেন।

রাশিয়া কখনোই বাংলাদেশের বড় শ্রমবাজার ছিল না। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়া ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলোতে অনেকেই যাচ্ছেন এবং গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশিদের কলসেন্টারে চাকরির নামে নিয়ে অনলাইন প্রতারণায় বাধ্য করা হয়। আন্তর্জাতিক চাপে সম্প্রতি এসব ‘স্ক্যাম সেন্টার’ বন্ধ করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালে গত জুনে ৬৪৬ জন বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফিরে আসেন এবং আরও অনেকে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কম্বোডিয়ার অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে ভালো নয় এবং সেখানে চাকরির সুযোগও কম।

অন্যদিকে, ইউরোপের উন্নত জীবনের প্রলোভনে ইতালি যেতে বিভিন্ন দেশ হয়ে লিবিয়ায় গিয়ে বহু বাংলাদেশি প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এরপর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন। ২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়া ৬৬ হাজার ৩১৬ জনের মধ্যে ১ হাজার ১২৬ জন সমুদ্রে নিখোঁজ অথবা নিহত হয়েছেন। এ বছরের জুন পর্যন্ত ১৪ হাজার ১৯৪ জন এই পথে ইতালি গেছেন, যার মধ্যে ৩২ শতাংশ বা ৩ হাজার ৬৯১ জন বাংলাদেশি। যদিও গত বছর মাত্র ১০০ জন এবং এ বছর ৬৩ জন লিবিয়া যাওয়ার ছাড়পত্র নিয়েছেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে বেশিরভাগ কর্মী অবৈধ পথে মধ্যপ্রাচ্যসহ ভিন্ন দেশ হয়ে লিবিয়ায় যাচ্ছেন। মাদারীপুরের যুবক মশিউর রহমান ৩২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় বন্দিজীবন কাটিয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় দেশে ফিরেছেন।

বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে কর্মী পাঠানো সার্বিকভাবে কমছে। এ বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) প্রায় ৫ লাখ কর্মী বিদেশে যেতে ছাড়পত্র নিয়েছেন, যা গত বছর একই সময়ে ছিল প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার। অর্থাৎ, এ বছর কর্মীর ছাড়পত্র কমেছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার।

ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, বাহরাইনের মতো বাংলাদেশের কিছু বড় শ্রমবাজার দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অথবা কর্মী যাওয়া কমে গেছে। মালয়েশিয়ায় ২০২৩ সালে সাড়ে তিন লাখের বেশি কর্মী গেলেও অনিয়মের কারণে ২০২৪ সালের জুনে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। ওমানে ২০২৩ সালে সোয়া লাখের বেশি কর্মী গেলেও ২০২৪ সাল থেকে শ্রমবাজারটি কার্যত বন্ধ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৩ সালে প্রায় এক লাখ কর্মী গেলেও ২০২৪ সালে ৪৭ হাজার এবং ২০২৫ সালে ১৩ হাজার ৭৫০ জন কর্মী গেছেন, অর্থাৎ দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া প্রায় বন্ধ। বাহরাইনেও বাংলাদেশিরা অনেক দিন ধরে যেতে পারছেন না এবং লেবাননে ইসরায়েলের হামলার কারণে কর্মী রপ্তানি কম।

কয়েক বছর ধরে কর্মসংস্থান বাড়ছে শুধু সৌদি আরবে। ২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ায় দেশটিতে ফুটবল অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, যার ফলে অদক্ষ কর্মীর চাহিদা রয়েছে। ২০২৪ সালে সোয়া ছয় লাখ বাংলাদেশি কাজের জন্য দেশটিতে গিয়েছিলেন, যা গত বছর ৭ লাখ ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছিল। তবে এ বছরের প্রথম ছয় মাসে গেছেন ২ লাখ ১৫ হাজারের মতো কর্মী, অর্থাৎ কমছে। সৌদি আরবে গিয়ে চুক্তি অনুসারে কাজ না পাওয়ার অভিযোগও আছে।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক জানান, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল দেশের বাইরে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করা এবং সেটার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, বিদ্যমান শ্রমবাজারের পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে কাজ চলছে। ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো যেসব শ্রমবাজার আগে বড় ছিল কিন্তু ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের’ কারণে সংকুচিত হয়ে গেছে, সেসব বাজারে বাংলাদেশের নাগরিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য আলাপ-আলোচনা চলছে।

রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সংগঠন বায়রার সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, আরব আমিরাত ও কাতারের বাজার সংকুচিত এবং মালয়েশিয়ায় বন্ধ। দেশেও কাজ না থাকায় যেকোনো উপায়ে বিদেশে যেতে গিয়ে অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন, পাচারের ঘটনা ঘটছে। তাঁর দাবি, ৭০ শতাংশ কর্মী সৌদি আরবে যাচ্ছেন স্বল্প মেয়াদে এবং গিয়ে অনেকেই কাজ পান না। তিনি আরও বলেন, বন্ধ শ্রমবাজার চালু এবং নতুন বাজার তৈরি করতে না পারলে পাচার ও প্রতারণা কমবে না, এ খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে কাজ করতে হবে।

অভিবাসন খাত বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, নিয়ম মেনে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে উদাসীনতা এখনো বন্ধ হয়নি। ছাড়পত্র অনুমোদনের দায় সরকারের। যেসব দেশের নিয়োগপত্র যাচাই করা যাচ্ছে না, সেখানে কর্মী পাঠানোর দরকার কী? রাশিয়া, কম্বোডিয়ার মতো দেশে কীভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। মুনীর বলেন, ইশতেহারে যা আছে, তার প্রতিফলন দেখাতে হবে এবং সরকারের মানসিকতা বদলাতে হবে, না হলে প্রবাসী কর্মীরাই ভুক্তভোগী হবেন।

মানব পাচার ও প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফেরা কর্মীদের সংখ্যাও বাড়ছে। বিমানবন্দর সূত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ট্রাভেল পাস নিয়ে ফিরেছেন ১৫ হাজার ২৪৫ জন এবং শুধু এপ্রিলেই ফিরেছেন ৮ হাজার ২১৫ জন। এসব কর্মী সব হারিয়ে পাসপোর্ট না থাকায় পুলিশের হাতে আটক হয়ে ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফেরেন। ব্যাংককভিত্তিক ফোর্টিফাই রাইটস এবং ইউক্রেনভিত্তিক ট্রুথ হাউন্ডস নামে দুটি সংগঠন গত মার্চে জানায়, রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া শতাধিক বাংলাদেশি তরুণের মধ্যে সে সময় পর্যন্ত ৩৪ জন নিহত হয়েছেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মানব পাচারবিরোধী ইউনিটের (টিএইচবি) হিসাব বলছে, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৫৩৬টি মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে ১ হাজার ৬৫৭ জনকে; কিন্তু গ্রেপ্তার করা গেছে মাত্র ৩৫৩ জনকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে পাঁচ বছরে (২০২০-২৪) হওয়া ৪ হাজার ৪২৭টি মামলার ৯৪-৯৫ শতাংশ আসামি খালাস পেয়ে যান। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পাচারকারীদের বিচার ও শাস্তি না হওয়ায় মানব পাচার থামানো যাচ্ছে না।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কমিয়ে আনা দরকার। রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু) জানায়, ভারতে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ১৯২, পাকিস্তানে ৪৬৪, নেপালে ৪১৬ এবং শ্রীলঙ্কায় ২৪৮টি। সংখ্যা কম হলে নজরদারি করা সহজ হয়। বাংলাদেশে আগে এজেন্সির সংখ্যা ৮৫০ থেকে ৯০০টির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও গত আওয়ামী লীগ সরকার এটি বাড়িয়ে ২ হাজার ৪০০-এর কাছাকাছি নিয়ে যায়। গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার ২৫২টি নতুন এজেন্সির লাইসেন্স অনুমোদন করে, সব মিলিয়ে বর্তমানে ২ হাজার ৬৪৬টি এজেন্সি লাইসেন্সপ্রাপ্ত। গত জুলাইয়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে করা একটি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমার পর বিএনপি সরকার ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করে নেয়।

১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী পাঠানো শুরু হয় এবং নব্বইয়ের দশকে তা বাড়তে শুরু করে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ে বছরে কর্মী পাঠানোর গড় সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ২০২৩ সালে ১৩ লাখের বেশি কর্মী বিদেশে গেছেন, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ। গত পাঁচ অর্থবছরে বাংলাদেশিরা বছরে গড়ে ২ হাজার ৬৪৯ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন এবং রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। দেশের তরুণ ও যুবাদের বিদেশ যাওয়া দারিদ্র্য বিমোচন ও অভ্যন্তরীণ বাজার বড় হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশকেন্দ্রিক বাজারনির্ভরতা এখন জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে, কারণ সেসব দেশের কয়েকটিতে বাজার ছোট হয়েছে অথবা নানা কারণে কর্মী পাঠানো বন্ধ।

ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে কর্মীদের যাওয়ার আগ্রহ তৈরি হওয়ার এটা একটা বড় কারণ।বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কম্বোডিয়ায় ১২ হাজার ২৬৩ জন বাংলাদেশি যাওয়ার ছাড়পত্র নিয়েছেন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ বছরে মোট ২০৩টি দেশে কর্মী পাঠানো হয়েছে।

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দুই দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি এশিয়া কাপ হকিতে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ এশিয়া কাপ হকিতে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ চাকরির আশায় কম্বোডিয়া গিয়ে স্ক্যাম সেন্টারে ১৭ দিন বন্দী শফিকুল চাকরির আশায় কম্বোডিয়া গিয়ে স্ক্যাম সেন্টারে ১৭ দিন বন্দী শফিকুল গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান ও সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার শর্তাবলী নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার শর্তাবলী নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি ফল আনারকলির চাষ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি ফল আনারকলির চাষ বিআরটিএ কর্মকর্তা মাসুদ আলমের বদলি, ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য ফের আলোচনায় বিআরটিএ কর্মকর্তা মাসুদ আলমের বদলি, ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য ফের আলোচনায় ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড়: উত্তরণের উপায় কী? ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড়: উত্তরণের উপায় কী? গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে লংমার্চে নাহিদের আল্টিমেটাম গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে লংমার্চে নাহিদের আল্টিমেটাম জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার, অভিযোগ জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার, অভিযোগ জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের
সব খবর