নয়াদিল্লিতে আগামী শনি ও রোববার বসতে যাওয়া ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনে কোন কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যোগ দিচ্ছেন বা বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট কোনো তথ্য দেননি। তবে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল অংশগ্রহণের পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দেয়। এরপর থেকে সফরের দিনক্ষণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনের আগে এই সফরের সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
এদিকে, আজ সকালে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর বা শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে রণধীর জয়সোয়াল জানান, এটি ছিল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। সেখানে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মুখপাত্র আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উন্নয়ন সহযোগিতা, কানেক্টিভিটি এবং দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পৃক্ততা অব্যাহত রয়েছে এবং তা সামনে এগিয়ে চলছে।
এর মধ্যে গত ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সরাসরি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন বাড়ে।

















