সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আলাদাভাবে তদন্ত পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে দেশের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাই তাকে লক্ষ্য করে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা কোনো অনুসন্ধান চালানোর পরিকল্পনা তাদের নেই।
তবে আরিফ হোসেন খান স্পষ্ট করেছেন যে, দেশের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব তদন্তের প্রক্রিয়ায় যদি সাবেক রাষ্ট্রপতি বা অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
উল্লেখ্য, ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং তার প্রতিষ্ঠান জেএমসি বিল্ডার্স-এর নাম উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট ইসলামী ব্যাংকের সাবেক পরিচালকদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং জেএমসি বিল্ডার্সের শেয়ার হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর বিএফআইইউ আদালতে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করে, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।














