অর্থনীতি

বাংলাদেশে প্রতিদিন নষ্ট ৬ কোটি লোকের খাবার: বিশ্বব্যাংক

প্রতিবেদক
সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা মাদককাণ্ডে ওএসডি অতিরিক্ত ডিআইজি জহির, পেতেন আয়ের ৭০ শতাংশ মাদককাণ্ডে ওএসডি অতিরিক্ত ডিআইজি জহির, পেতেন আয়ের ৭০ শতাংশ মাগুরায় বাস টার্মিনালে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা মাগুরায় বাস টার্মিনালে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা সরকারি দপ্তরে প্রায় এক লাখ নিয়োগ আটকে, অর্থ বিভাগের নীতিমালায় জটিলতা সরকারি দপ্তরে প্রায় এক লাখ নিয়োগ আটকে, অর্থ বিভাগের নীতিমালায় জটিলতা সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন সাড়ে ৬ বছরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭৯৬৩ শিশুর সাড়ে ৬ বছরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭৯৬৩ শিশুর বার্সেলোনাকে হারিয়ে পিএসজির ৪-২ গোলের জয় বার্সেলোনাকে হারিয়ে পিএসজির ৪-২ গোলের জয় প্রবাসী আয়ের সিংহভাগ ভোগে ব্যয়, বিনিয়োগে অনীহা প্রবাসী আয়ের সিংহভাগ ভোগে ব্যয়, বিনিয়োগে অনীহা সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ১৯ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ১৯ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা
সব খবর

বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় ৬ কোটি মানুষের খাবার নষ্ট হচ্ছে, যা দেশের মোট উৎপাদিত খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশ। বিশ্বব্যাংকের ‘ফুড লস অ্যান্ড ওয়েস্ট ডায়াগনস্টিক’ গবেষণায় এমন উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। যেখানে দেশের একটি বড় অংশের মানুষ খাদ্যের অভাবে দিন কাটায়, সেখানে এই বিপুল পরিমাণ খাদ্য অপচয় খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, এই খাদ্য নষ্ট হওয়ার আর্থিক মূল্য দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৪ শতাংশের সমান। এছাড়া, যে খাদ্য শেষ পর্যন্ত কেউ খায় না, তা উৎপাদনে দেশের ২৭ শতাংশ জমি ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের ১৩ শতাংশ এই ক্ষতির সঙ্গে জড়িত, যা জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন দৈনিক এদিনকে বলেন, খাদ্য অপচয় মানে শুধু খাদ্য নয়, বরং পানি, জমি ও শ্রমের মতো দুর্লভ সম্পদের অপচয়।

খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও উৎপাদিত খাবারের একটি বড় অংশ মানুষের কাছে পৌঁছানোর আগেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হলো ফসল কাটার পর সঠিকভাবে সংরক্ষণ, বাছাই, গ্রেডিং, প্যাকেজিং ও পরিবহন করতে না পারা। বিশেষ করে ফল ও সবজির মতো দ্রুত পচনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রযুক্তি ও অবকাঠামোর অভাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নাজিম উদ্দিনের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ টন খাবার নষ্ট বা অপচয় হয়, যা মোট উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় ৩৪ শতাংশ।

উৎপাদনের পরের ধাপগুলোতেই ফসলের বড় অংশ নষ্ট হয়। এর মধ্যে ফসল কাটার পর সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে না পারা, বাছাই ও গ্রেডিংয়ের অভাব, উপযুক্ত প্যাকেজিংয়ের অভাব এবং পরিবহনের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া অন্যতম কারণ। এফএওর সহায়তায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসানের নেতৃত্বে করা গবেষণায় দেখা গেছে, কৃষক থেকে মিলার পর্যন্ত ধানের ফসল-পরবর্তী ক্ষতি ১৭.৮ শতাংশ, যার মধ্যে কৃষক পর্যায়েই ক্ষতি প্রায় ১৪ শতাংশ। একই গবেষণায় গমের ক্ষতি ১৭.৫৯ শতাংশ, আমে ৩১.৭ শতাংশ, আলুতে ২১.৮ শতাংশ এবং টমেটোতে ২৭.৯ শতাংশ পাওয়া যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারী মনে করেন, দেশে ফসল-পরবর্তী ক্ষতি ৩০ থেকে ৩৩ শতাংশের মতো, যা দেশের বর্তমান সক্ষমতার ওপর চাপ তৈরি করছে।

উদ্যানতত্ত্ববিদ ড. সাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সায়েন্টিফিক কাল্টিভেশন, হারভেস্ট, ম্যানেজমেন্ট, স্টোরেজ— কোনোটাই আমাদের মানসম্মত নয়।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফসলের দাম কমে গেলে অনেক সময় কৃষক শ্রম দিয়ে তা তুলতে পারেন না, ফলে ১০০ শতাংশই অপচয় হয়। শুধু মাঠ ও সংরক্ষণ পর্যায়েই নয়, পরিবহনের সময়ও তাপমাত্রা, আঘাত, অতিরিক্ত চাপ ও উপযুক্ত পরিবহনের অভাবে বিভিন্ন কৃষিপণ্য নষ্ট হচ্ছে। এতে একদিকে খাদ্যের সরবরাহ কমছে, অন্যদিকে পরিবহন ও ব্যবস্থাপনার বাড়তি খরচ শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর পড়ছে, যা খাদ্যের প্রকৃত মূল্য বাড়িয়ে দেয়।

ভোক্তা পর্যায়েও খাদ্য অপচয় ব্যাপক। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স ২০২৪ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের পরিবারগুলোতে বছরে ১ কোটি ৪১ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয়, যা মাথাপিছু বছরে প্রায় ৮২ কেজি। ২০২১ সালের প্রতিবেদনে এই হিসাব ছিল মাথাপিছু ৬৫ কেজি এবং মোট ১ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টন। অধ্যাপক কামরুল হাসানের ঢাকা ও ময়মনসিংহের ১৭৫টি পরিবারের তথ্য নিয়ে করা গবেষণায় উচ্চ-আয়ের পরিবারে সপ্তাহে দুই কেজির বেশি খাবার ফেলে দেওয়ার প্রবণতা পাওয়া গেছে। হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং কমিউনিটি সেন্টারগুলোতেও উদ্বৃত্ত খাবারের হার ২১ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত দেখা যায়। তবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী জাতীয় সংসদে বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়ের কথা জানিয়েছেন, যা ভিন্নমত তৈরি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে কৃষি ও খাদ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামো বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের মহাপরিচালক মাহবুব রহমান বলেন, খাদ্য ক্ষতি ও অপচয় কমিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষকের আয় বাড়ানো ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন নীতিগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি কৃষি উন্নয়ন নীতি, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি, সরকারি খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, বাজারজাত ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কোল্ড চেইন উন্নয়নের মতো উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আধুনিক সংরক্ষণ ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দিতে হবে।

বারির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী জানান, দেশে খাদ্য অপচয় কমাতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন হয়েছে। বারিতে ফসলের সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমাতে প্রায় ২৫ ধরনের প্রযুক্তি এবং ১৫০টির বেশি প্রযুক্তি রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের প্রক্রিয়াজাতকরণে তুলনামূলক কম বিনিয়োগেই ফল ও সবজির অপচয় কমানো সম্ভব। তিনি বলেন, মাঠ থেকে ফসল তোলার পর তাপমাত্রা কমাতে পারলে শেলফ লাইফ প্রায় দ্বিগুণ হয়। কাঁচা ফল গরম পানিতে শোধন করে লবণ-ভিনেগারের দ্রবণসহ জীবাণুমুক্ত পাত্রে রাখলে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ছয় থেকে আট মাস, এমনকি এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ সম্ভব।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত ব্যবস্থাপনায় উৎপাদিত বেগুনের প্রায় ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। তবে বাছাই, গ্রেডিং, ধোয়া ও উন্নত প্যাকেজিংসহ সমন্বিত ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা করা হলে এই হার ৪.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব, অর্থাৎ ৮৮.৭ শতাংশ অপচয় কমে। এর মাধ্যমে এক হাজার কেজি বেগুন বিক্রি করা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাপ্তাহিক বাড়তি আয় হতে পারে ১৭ হাজার ১৯০ টাকা। আমের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থাপনায় বিক্রয়-অযোগ্য আমের হার ২৫.১ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে নেমে আসে, অর্থাৎ ৭০ থেকে ৭২ শতাংশ কমে। এর মাধ্যমে ৪ হাজার কেজি আম বিক্রি করা একজন ব্যবসায়ীর সাপ্তাহিক বাড়তি মোট আয় হতে পারে ৭১ হাজার ৯৩৭ টাকা।

ফসল নষ্ট হওয়া কমাতে সংরক্ষণ প্রযুক্তির পাশাপাশি নতুন জাত উদ্ভাবনের সুযোগও রয়েছে। জাত উদ্ভাবনের সময় ফসলের সংরক্ষণক্ষমতা, কিভাবে সংরক্ষণ করা যায় ও বাজারে কত দিন পর্যন্ত মান বজায় রাখা সম্ভব—এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বিজ্ঞানী লতিফুল বারী বলেন, ঢ্যাঁড়শের মতো স্পর্শকাতর সবজির ক্ষেত্রে ফ্রিজ-ড্রাইং প্রযুক্তিতে পানি সরিয়ে নিলে পুষ্টিগুণ বজায় থাকে এবং তা স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া যায়। উদ্যানতত্ত্ববিদ ড. সাহাবুদ্দিন আহমেদ বারির চেরি টমেটোর উদাহরণ দিয়ে বলেন, জাত উদ্ভাবনের পর্যায় থেকেই সংরক্ষণক্ষমতা বিবেচনায় নিলে পরবর্তী সংরক্ষণ ও বিপণনের খরচ কমানো সম্ভব।

নষ্ট খাবারকেও পুরোপুরি বর্জ্য হিসেবে না দেখে পুনর্ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে তৈরি হওয়া উপজাত থেকে জ্বালানি, সার, পশুখাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা সম্ভব। ড. লতিফুল বারী বলেন, নষ্ট হয়ে যাওয়া মাছ ফারমেন্টেশন করে ফিশ সস তৈরি করা যেতে পারে এবং এর অবশিষ্টাংশ থেকে পোল্ট্রি ও পশুখাদ্য তৈরির সুযোগ রয়েছে। চিংড়ির খোসা থেকে কাইটিন ও কিটোসানের মতো উচ্চমূল্যের পণ্য এবং ডিমের খোসায় থাকা ক্যালসিয়াম কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরির সম্ভাবনার কথাও তিনি জানান। তাঁর মতে, জৈব উৎসের প্রতিটি উপাদানকে আলাদাভাবে কাজে লাগিয়ে নতুন পণ্য তৈরির সুযোগ রয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এফপিএমইউর ড. মাহবুবুর রহমান জানান, এসডিজির ১২.৩ লক্ষ্য অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য নষ্ট কিংবা অপচয় অর্ধেকে নামাতে হবে। তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষে খাদ্যের ক্ষতি ও অপচয় রোধ এবং খাদ্য-পুষ্টি নিরাপত্তা বিধান এককভাবে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’ তাই সরকারি সহায়তা, লজিস্টিক সাপোর্ট ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি খাদ্য, কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, স্থানীয় সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের নিয়ে এক ছাতার নিচে আসার প্রস্তাবও দেন তিনি।

সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা মাদককাণ্ডে ওএসডি অতিরিক্ত ডিআইজি জহির, পেতেন আয়ের ৭০ শতাংশ মাদককাণ্ডে ওএসডি অতিরিক্ত ডিআইজি জহির, পেতেন আয়ের ৭০ শতাংশ মাগুরায় বাস টার্মিনালে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা মাগুরায় বাস টার্মিনালে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা সরকারি দপ্তরে প্রায় এক লাখ নিয়োগ আটকে, অর্থ বিভাগের নীতিমালায় জটিলতা সরকারি দপ্তরে প্রায় এক লাখ নিয়োগ আটকে, অর্থ বিভাগের নীতিমালায় জটিলতা সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন সাড়ে ৬ বছরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭৯৬৩ শিশুর সাড়ে ৬ বছরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭৯৬৩ শিশুর বার্সেলোনাকে হারিয়ে পিএসজির ৪-২ গোলের জয় বার্সেলোনাকে হারিয়ে পিএসজির ৪-২ গোলের জয় প্রবাসী আয়ের সিংহভাগ ভোগে ব্যয়, বিনিয়োগে অনীহা প্রবাসী আয়ের সিংহভাগ ভোগে ব্যয়, বিনিয়োগে অনীহা সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ১৯ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ১৯ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা
সব খবর