স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের জন্য প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর বিষয়ে খুব দ্রুতই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। সোমবার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) ও ইআরএফ-এর যৌথ সেমিনারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির বিষয়ে এখন একটি সর্বসম্মত অবস্থান তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)-সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই একমত যে, টেকসই উত্তরণের স্বার্থে বাংলাদেশের জন্য এই অতিরিক্ত তিন বছর সময় পাওয়া যৌক্তিক। যদিও চূড়ান্ত সময়সীমা ২৪ নভেম্বর, তবে অক্টোবরের মধ্যেই এই প্রক্রিয়ার ইতিবাচক সমাধান আসবে বলে তিনি আশা করছেন।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত এই তিন বছর সময় পেলে কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হবে, সে বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বা অ্যাকশন প্ল্যান আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আগেই শেয়ার করা হয়েছে। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য ঝুঁকি কমাতে সরকার ‘স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি’ বা মসৃণ উত্তরণ কৌশল নিয়ে কাজ করছে।
এই কৌশলের অংশ হিসেবে ২০২৭ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সই করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। মন্ত্রী জানান, জাপানের সঙ্গে চুক্তি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, সিঙ্গাপুর ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) ও ইআরএফ-এর যৌথ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
অতিরিক্ত ৩ বছর সময় পেলে কীভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হবে, সে বিষয়ে ইতোমধ্যেই একটি অ্যাকশন প্ল্যান বা কর্মপরিকল্পনা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।

















