দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, বোর্ডের আওতাধীন ৪৯টি কলেজের একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য।
শূন্য ফলাফলপ্রাপ্ত ৪৯টি কলেজের মধ্যে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেড়ভেড়ী মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও নয়নখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ; সদর উপজেলার আদর্শ কলেজ, পঞ্চপুকুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তরনীবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সৃজনশীল কলেজ; ডোমার উপজেলার জমিরবাড়ী মহিলা মহাবিদ্যালয়; জলঢাকা উপজেলার সমির উদ্দিন আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ; এবং ডিমলা উপজেলার আদাবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গয়াখড়িবাড়ী নীলা কলেজ ও বন্দুকড়া নিমোজখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ; নাগেশ্বরী উপজেলার নাগেশ্বরী মডেল কলেজ, কুটিপায়রাডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও চিলাখানা মডেল কলেজ; রাজারহাট উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীরহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও পান্থাপাড়া রানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ; এবং চিলমারী উপজেলার দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজও এই তালিকায় রয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মোরলহাট জনতা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও রত্নাই বগুলাবাড়ী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ; সদর উপজেলার কদম রসুলহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সালান্দার মহিলা কলেজ; রানীশংকৈল উপজেলার ধুলঝাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোগর কলেজ ও রাতোর নগর স্কুল অ্যান্ড কলেজ; এবং পীরগঞ্জ উপজেলার একরামুল শহীদ সালাউদ্দীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ অকৃতকার্য হয়েছে।
রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার কাদীরাবাদ মহিলা কলেজ, কান্দিরহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও এমাদপুর কলেজ; দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার কবিরাজহাট কলেজ ও সনকা আদর্শ কলেজ; ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর লক্ষ্মীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বেপারীতলা আদর্শ কলেজ; হাকিমপুর উপজেলার বোয়ালদার স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও হিলির পৌষগাড়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজও শূন্য ফলাফল করেছে।
তালিকায় আরও রয়েছে পঞ্চগড় জেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আলহাজ তমিজ উদ্দিন কলেজ; লালমনিরহাট জেলার তুষভান্ডার সোনারহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দুহুলী এসসি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দক্ষিণ ঘনশ্যাম স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গন্ধমরুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আমিনুর রহমান কলেজ; এবং গাইবান্ধা জেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ ও জমারবাড়ী মহিলা কলেজ।
তথ্য অনুযায়ী, শূন্য ফলাফল করা এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। অধিকাংশ কলেজে পরীক্ষার্থী ছিল ১ থেকে ৩ জন। কয়েকটি কলেজে ৪ থেকে ১০ জন, কিছু কলেজে ১১ থেকে ২৪ জন, একটিতে ৪০ জন এবং একটি কলেজে ৫১ জন পরীক্ষার্থী ছিল, যাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।
এ বিষয়ে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বোরহান উদ্দিন জানান, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, সেগুলোর বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

















