রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িটিতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী।
এই লোমহর্ষক ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, চারজনকেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘটনার রাতে কয়েকজন যুবককে ওই বাড়ি থেকে বের হতে দেখা গেছে।
নিহতদের মরদেহ বাড়ির বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। গণপতি চক্রবর্তীর দোতলা বাড়ির নিচতলাটি সাধারণত খালি পড়ে থাকত। বাড়ির ছাদের এক প্রান্তে প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ পাওয়া যায় এবং অন্য প্রান্তে পাওয়া যায় গণপতির মরদেহ। এছাড়া বাড়ির ভেতরে একটি খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ।
রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মরদেহগুলোর গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং পুরো ঘরবাড়ি তছনছ অবস্থায় পাওয়া গেছে। এটি ডাকাতির ঘটনা হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে বর্তমানে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
















