ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে আবারও সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের বিক্ষোভে অংশ নেয়া অন্তত ১৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া অন্তত তিনটি শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয়েছে। বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, গত সপ্তাহান্তে ব্যাপক দাঙ্গা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। এছাড়া জনসমাবেশে বিধিনিষেধ আরোপের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় শর্তসাপেক্ষে বিক্ষোভের অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভের আগেই প্যারিসে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বেশ কিছু অস্ত্র ও গ্যাস মাস্ক জব্দ করা হয়েছে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, শহরের সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।
এতসব কড়াকড়ি সত্ত্বেও রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষের ক্ষোভ ও রাজনৈতিক অসন্তোষ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহান্তে ফ্রান্সে সংঘটিত দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনায় হাজার হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং সেই সময় ২ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

















