যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার তার এমপি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আকস্মিক ঘোষণা দিয়েছেন। ২০১৫ সাল থেকে লন্ডনের হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস আসনের প্রতিনিধিত্ব করে আসা এই রাজনীতিকের পদত্যাগের ফলে আসনটিতে এখন উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরসূরি অ্যান্ডি বার্নহ্যামের হাউস অব কমন্সে প্রথম বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
গত জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় স্টারমার জানিয়েছিলেন, তিনি ২০২৯ সালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে সেই অবস্থান থেকে সরে এসে তিনি এখন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে মনোযোগ দিতে চান। পাশাপাশি নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে দীর্ঘদিনের চলমান কাজগুলোও তিনি চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ক্যামডেন নিউ জার্নালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টারমার জানান, গত ১১ বছর হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাসের প্রতিনিধিত্ব করা তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এখন তিনি তার দায়িত্বের ব্যাটন উত্তরসূরির হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম তার এই সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, স্টারমার আজীবন জনসেবা করেছেন এবং তার নেতৃত্ব লেবার পার্টিকে বড় পরাজয় থেকে বিজয়ের পথে নিয়ে এসেছিল।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন কিয়ার স্টারমার। তবে লেবার এমপিদের একাংশের চাপে গত জুলাইয়ে তিনি ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়েন। স্টারমারের এই পদত্যাগ নিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বেডেনক মন্তব্য করেছেন, তিনি স্টারমারের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানান, তবে লেবার এমপিদের সঙ্গে তিনি কেন সময় কাটাতে চাইছেন না, তা বোধগম্য নয়।

















