ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তার কফিন শিয়া সম্প্রদায়ের পবিত্র শহর কারবালায় নিয়ে যাওয়া হয়। ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে মহানবীর দৌহিত্র ইমাম হোসেন যেখানে শহীদ হয়েছিলেন, সেই ঐতিহাসিক ভূমিতেই তাকে শেষ বিদায় জানানো হয়।
নাজাফ থেকে কারবালা যাওয়ার পথে লাখো মানুষের ভিড়ের কারণে কফিনবাহী বহরটির পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। কারবালায় পৌঁছে শোকমিছিলটি ঐতিহাসিক আবু মাহদি আল-মুহান্দিস সড়ক ও প্রজাতন্ত্র সড়ক অতিক্রম করে। এরপর কফিনটি ইমাম হোসেন এবং তার ভাই আব্বাস ইবনে আলীর মাজারে প্রবেশ করানো হয়।
মরুভূমির তীব্র ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উপেক্ষা করে সেখানে প্রায় ৪০ থেকে ৭০ লাখ মানুষের এক ঐতিহাসিক জনসমাগম ঘটে। বিপুল এই ভিড় সামাল দিতে মাজার প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়। মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত জানাজায় ইমামতি করেন ইরাকের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি আব্দুল মাহদি আল-কারবালাই।

















