দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী জানান, কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বর্তমানে আলোচনা চলছে। এই প্রস্তাবিত টার্মিনালটি চালু হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরও উন্নত করবে।
পাশাপাশি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই অঞ্চলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহের উন্নতির পাশাপাশি গ্যাসের সংকটও অনেকাংশে কমে আসবে বলে সরকার প্রত্যাশা করছে।
দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

















