প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২। মাদারীপুরে একটি কোল্ড স্টোরেজে দীর্ঘ সময় ধরে মজুত রাখা প্রায় ৩ কোটি টাকার আলু পচে নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে বাধ্য হয়ে কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ এসব আলু বিনামূল্যে স্থানীয়দের মাঝে গরুর খাদ্য হিসেবে বিতরণ করছে। কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত সময় আলুগুলো সংরক্ষণ করার কারণেই সেগুলো পচে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলুর গুণগত মান অটুট রাখতে সংরক্ষণ মৌসুম থেকে সাধারণত সর্বোচ্চ ১০ মাস পর্যন্ত কোল্ড স্টোরেজে আলু রাখা হয়। কিন্তু মীর হাবিবুর রহমান তার মালিকানাধীন মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে অধিক মুনাফার আশায় প্রায় ২০ হাজার বস্তা আলু মজুত করেছিলেন, যার প্রতিটির ওজন ছিল ৬০ কেজি। বাজারমূল্য আশানুরূপ না হওয়ায় আলুগুলো স্টোরেজেই পড়ে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকায় আলুর গুণগত মান নষ্ট হয়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
দীর্ঘদিন আলু মজুত করে রাখার ফলে স্থানীয় আড়তদারদের অন্য জেলা থেকে আলু সংগ্রহ করতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য বাড়তি খরচের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদারীপুরের তরকারি আড়তদার খবিরউদ্দিন বলেন, ব্যবসায়ী যদি ভালো থাকা অবস্থায় আলুগুলো বাজারে ছেড়ে দিতেন, তবে কিছুটা লোকসান কমানো যেত। এখন ব্যবসায়ী নিজেই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার আবদুল করিম জানান, দীর্ঘ সময় স্টোরেজে থাকার কারণে আলুর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আলু পচে গেছে। বিষয়টি নিয়ে মাদারীপুর কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রুবেল মিয়া জানিয়েছেন, তিনি কোল্ড স্টোরেজটি পরিদর্শন করবেন এবং কেন এত দীর্ঘ সময় আলু মজুত রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলুর গুণগত মান ধরে রাখতে সংরক্ষণ মৌসুম থেকে সর্বোচ্চ ১০ মাস পর্যন্ত কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু বাজারে বেশি মুনাফা লাভের আশায় মীর হাবিবুর রহমান তার নিজস্ব মালিকানাধীন মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে প্রতি বস্তা ৬০ কেজি করে ২০ হাজার বস্তা আলু মজুত করে রাখেন। ২০২
মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার আবদুল করিম বলেন, এ আলু ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। আলু দীর্ঘদিন স্টোরেজে থাকার কারণে আলুর টেম্পারেচার নষ্ট হয়ে গেছে।

















