নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মো. নাঈম নামের ওই কিশোর রাতে নিজ ঘরে ঘুমালেও মঙ্গলবার সকালে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয় বাড়ির অদূরে ধানখেতের পাশের রাস্তা থেকে। নিহত নাঈম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার ইব্রাহীম খলিলের ছেলে। সে সুবর্ণচরের চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানীনগর মাদরাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে নাঈমের বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে সে তার নানার বাড়ি চরজুবলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাগ্যা গ্রামে বসবাস করছিল। নাঈমের নানা এবায়েদ উল্যাহ জানান, শনিবার মাদরাসা থেকে বাড়িতে আসার পর সোমবার রাতে খাবার খেয়ে সে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায়। মঙ্গলবার ফজরের সময় নামাজ পড়তে উঠে তিনি দেখেন ঘরের দরজা খোলা এবং নাঈম ভেতরে নেই। পরে সকাল ৭টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানখেতের পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।
এবায়েদ উল্যাহর অভিযোগ, ২০-২৫ দিন আগে তার মেয়ের নতুন করে বিয়ে হওয়ার পর থেকে নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়েও তিনি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত লাশ দেখতে আসেননি বলে অভিযোগ করেছেন পরিবার।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার। তিনি জানান, নিহতের থুতনির নিচে একটি দাগ রয়েছে। এছাড়া নোয়াখালী পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং এটি শ্বাসরোধ করে হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে এবং তিনি চট্টগ্রাম অথবা ফেনী থেকে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাগ্যা গ্রামের এবায়েদ উল্যার বাড়ি সংলগ্ন ধান খেতের পাশে রাস্তা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এবায়েদ উল্যাহ অভিযোগ করে বলেন, ২০-২৫ দিন আগে আমার মেয়ের নতুন করে বিয়ে হয়। এরপর নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল তার মা সুমি আক্তারকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দেয়। কিভাবে ছেলের আয় রোজগার খায় দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। নিহতের মা তার বাবাকে সন্দেহ করছে। সকালে ছেলের মৃত্যুর খবর দেওয়ার জন্য তাকে অনেকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে

















