প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫৯। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, পাপন ও তার সহযোগীরা অত্যন্ত সুকৌশলে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তদন্তে দেখা গেছে, স্টেডিয়ামের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, বিপিএল আয়োজন, মিডিয়া স্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া, টিকিট বিক্রির টেন্ডার, মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান আয়োজন, বিদেশ সফর এবং হেলিকপ্টার ব্যবহারের খরচের হিসাবে বড় ধরনের অনিয়ম ও কারচুপি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে নাজমুল হাসান পাপন ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুদক সর্বমোট ৯টি মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ৫ মে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করা হয়। সে সময় দুদক জানায়, পাপনের ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৭৪৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া পাপন ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায় ১২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, তাদের ১১টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৪৯ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে আরও একটি মামলা চলমান রয়েছে।

















