নয়াদিল্লিতে পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে সরাসরি গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই সুযোগ ব্যবহার করে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র এবং সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন।
এই কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ না করার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে ঢাকায় ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া, এর আগে আজ রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গেও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকের কথা রয়েছে।

















