বাংলাদেশে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা থাকলেও বর্তমানে খাদ্যনালীর ক্যান্সারে আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২০ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২২ হাজার মানুষ খাদ্যনালীর ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। নারীদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারের পরেই খাদ্যনালীর ক্যান্সারের অবস্থান। এই রোগে মৃত্যুর হারও বেশ উল্লেখযোগ্য।
খাদ্যনালী মূলত মুখ থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত খাবার পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ নল হিসেবে কাজ করে। এই নালীর ভেতরের আবরণে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ অথবা অস্বাভাবিক কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে ক্যান্সার তৈরি হতে পারে।
খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ক্ষেত্রে রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যা সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

















