বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ দেশটির প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ)। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার এবং তারা প্রতিষ্ঠিত নিয়ম মেনেই বিষয়টি দেখছেন।
এর আগে, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। এছাড়া, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার দুই সন্দেহভাজনকে ফেরত পাওয়ার বিষয়েও জয়সওয়াল মন্তব্য করেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন হাদি। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে চলতি বছরের মার্চ মাসে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করে। মুখপাত্র এটিকে একটি আইনি বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে জানান, এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনারের মধ্যকার বৈঠক প্রসঙ্গে মুখপাত্র জানান, উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। তবে ঢাকায় র-এর (RAW) প্রধান পরাগ জৈন ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার মধ্যে কোনো বৈঠকের খবর সম্পর্কে তার কাছে কোনো তথ্য নেই বলে তিনি জানান।
আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এছাড়া বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবেও তাকে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

















