শনিবার সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি বস্তু পাওয়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়ার পরপরই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।
মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের কনকোর্স লেভেলের বি গেট লবিতে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে একটি সন্দেহজনক ব্যাগ দেখতে পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে এমআরটি পুলিশকে জানানো হয়। নিরাপত্তার খাতিরে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্টেশনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়। ইউনিটটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে ব্যাগটি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয় যে, এর ভেতরে কোনো বিস্ফোরক নেই। পরে দেখা যায়, ব্যাগের ভেতর জর্দার একটি কৌটা ও পান রাখা ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পুনরায় স্টেশনের কার্যক্রম চালু করা হয় এবং ট্রেন চলাচল ও যাত্রীসেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
একইভাবে তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বস্তা ঘিরে বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হলে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানেও অভিযান চালায়। হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হন যে, এর ভেতরে কোনো ধরনের বিপজ্জনক বা বিস্ফোরক বস্তু নেই। ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিরপুর-১০ স্টেশনের ঘটনার পর এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমেও সন্দেহজনক বস্তুটির ভেতরের কৌটাসদৃশ ইমেজ দেখা গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে নিষ্ক্রিয় করা হয়। উভয় ক্ষেত্রেই কোনো ক্ষতিকর বস্তুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

















