ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় মেঘনা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের দায়ে ৯ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ড। রোববার বিকেল থেকে তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেনের নেতৃত্বে মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বাসনভাঙ্গা চরের দক্ষিণ পাশ থেকে মাছ শিকাররত অবস্থায় ওই জেলেদের আটক করা হয়। এ সময় তিনটি মাছ ধরার ট্রলার, জাল এবং বিপুল পরিমাণ মাছ জব্দ করা হয়।
অভিযান শেষে আটক জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বনি আমিন আটক ৯ জেলের মধ্যে ৮ জনকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপর এক জেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন মো. শাহিন (৩৮), মো. জামাল (৪০), রিপন (২৯), মো. শাকিল (২৪), মো. সবুজ (২০), আবদুর রব (৫২), আরিফ (৩০) এবং রুবেল (২৯)। তাদের বাড়ি লালমোহন ও মনপুরা উপজেলায়।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শশীগঞ্জ মৎস্যঘাটে জব্দ করা জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মাছ স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদরাসায় বিতরণ করা হয়েছে। জব্দ করা তিনটি ট্রলার বর্তমানে মৎস্য অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ইউএনও মো. বনি আমিন জানান, মেঘনায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি আইন অমান্য করে মাছ শিকার করলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

















