যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে একটি নতুন ও বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে খসড়া পর্যায়ে থাকা এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে কোণঠাসা করার জন্য একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জোট গড়ে তোলা।
১৯৪৬ সালের ১৪ জুন নিউইয়র্কের কুইন্সে জন্ম নেওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার জীবনের বিভিন্ন পর্যায় যেমন ১৯৬৮, ১৯৯২, ১৯৯৩, ১৯৯৯ এবং ২০০৫ সালে তিনি ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছেন। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি একজন ব্যবসায়ী ও শোবিজ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৫ জুন আচমকা প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে সবাইকে চমকে দেন তিনি। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করে তিনি হোয়াইট হাউসে জায়গা করে নেন।
নিউইয়র্কের আবাসন ব্যবসায়ী ফ্রেড ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ারটন স্কুল থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেন। বাবার ব্যবসায় যোগ দিয়ে তিনি হোটেল, বহুতল ভবন, গলফ কোর্স ও ক্যাসিনোর মতো বিভিন্ন খাতে ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটান। এছাড়া ‘দ্য অ্যাপ্রেনটিস’ টিভি রিয়্যালিটি শো উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। ব্যক্তিগত জীবনে ট্রাম্প তিনবার বিয়ে করেছেন এবং তিনি পাঁচ সন্তানের জনক। তার এই দীর্ঘ কর্মজীবনে ১৬টি বড় প্রকল্প এবং ৯টি প্রধান ব্যবসায়িক উদ্যোগের কথা জানা যায়, যার তথ্যসূত্র ২০২৬-০৯-০৬/৩ নম্বর নথিতে সংরক্ষিত আছে।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের কারণে আলোচনায় থেকেছেন। রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক, অভিবাসন নীতি, মুসলিম নিষেধাজ্ঞা এবং বিভিন্ন নির্বাহী আদেশ জারি নিয়ে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তার টানাপোড়েন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি তার মানসিক সুস্থতা নিয়েও বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে প্রথম বছরেই বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বিদায় নিয়েছেন। অভ্যন্তরীণ নীতির পাশাপাশি তার বৈশ্বিক নীতি নিয়েও নানা বিতর্ক রয়েছে। এর মধ্যেই তিনি দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহের কথা জানিয়ে রেখেছেন।

















