জর্ডানে অতর্কিত হামলায় দুইজন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাপক হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানা আট রাত ধরে মার্কিন বাহিনী আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই সামরিক অভিযান শুরু হয়। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথে ইরানের হুমকি নিরসন এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলাকারী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ইউনিটগুলোকে শাস্তি প্রদানই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, রোববার ভোরে বন্দর আব্বাস এবং কেশম দ্বীপে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কেশম দ্বীপের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বারবার হামলা চালিয়েছে, যার ফলে দ্বীপের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরনা আরও নিশ্চিত করেছে যে, বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসেও রোববার একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে এসব হামলায় ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে তেহরানের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন বাহিনীর এই আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

















