নিউজার্সি স্টেডিয়ামে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র ১২ মিনিটের মাথায় ব্রাজিলের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল। মাতেউস কুনিয়ার ওপর ফাউলের ঘটনায় ভিএআর দেখে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে প্রাথমিক অবস্থায় মনে হয়েছিল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রই হয়তো শটটি নেবেন। এমনকি ভিনিসিয়ুস পেনাল্টি স্পটের কাছে বল নিয়ে দাঁড়িয়েও ছিলেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে শেষ মুহূর্তে তিনি ব্রুনো গিমারায়েসের হাতে বল তুলে দিয়ে সরে আসেন। গোলকিপারের বাম পাশ দিয়ে গোল করার চেষ্টায় ব্রুনো ব্যর্থ হন।
ম্যাচ পরবর্তী সময়ে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, পেনাল্টি শুটআউটের জন্য নির্ধারিত প্রথম পাঁচজন কিকারের তালিকায় ভিনিসিয়ুস ছিলেন না। তার ভাষ্যমতে, ভিনিসিয়ুস ছিলেন দলের ষষ্ঠ পছন্দের পেনাল্টি কিকার। আনচেলত্তি বলেন, আমরা পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছি। সবার মধ্যে সেরা ছিল রাফিনহা। মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে এরপর ছিল নেইমার, ইগর থিয়াগো, ব্রুনো গিমারায়েস এবং গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি।
ব্রুনো গিমারায়েসকে পেনাল্টি নিতে পাঠানোর কারণ ব্যাখ্যা করে ব্রাজিল কোচ বলেন, আমরা ব্রুনোকেই বেছে নিয়েছিলাম, কারণ আমাদের মনে হয়েছিল তখন মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে পেনাল্টি নেওয়ার জন্য সেরা বিকল্প সেই ছিল।
পেনাল্টি না নেওয়া প্রসঙ্গে ভিনিসিয়ুস জানান, কোচ আগে থেকেই পেনাল্টি কিকার ঠিক করে দেন। তিনি বলেন, কোচ ব্রুনোকে বেছে নিয়েছিলেন। সে আমার চেয়ে ভালো পেনাল্টি নেয়, তাই কোচ তাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এটুকুই। আমি কখনোই দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাইনি।

















