ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, বিগত বছরের তুলনায় মামলার সংখ্যা বেড়েছে এবং ৮৯ জনকে আটক করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায়। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাকস্বাধীনতার চর্চার কারণে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেয়া হচ্ছে; আটক করা হয়—এটি ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশের কাছে প্রত্যাশিত ছিল না।’ মঙ্গলবার ঢাকার টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, নারী, কন্যাশিশু ও সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও আগের মতো স্বাভাবিকতায় ফিরে আসেনি। যদিও পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি সক্ষম হয়নি, তবুও কিছু বিষয়ে উদ্বেগ থেকেই যায়। নারী ও কন্যাশিশুদের প্রতি সহিংসতার ঘটনা অন্তত ১,৭৩০টির বেশি ঘটেছে, যার মধ্যে ৫০৩টি ধর্ষণের ঘটনা এবং অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আটকে নির্যাতন—যেটা টর্চার ইন কাস্টডি; এটাতো একদম হওয়ার কথাই ছিল না, এখনও এই ঘটনা ঘটেছে এবং সরাসরি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। অন্তত একটা ডিস্যাপিয়ারেন্সের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একটা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা জড়িত। এই বিষয়গুলো অবশ্যই আমাদেরকে সত্যিকারের অর্থে উদ্বিগ্ন করে।’
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মনীষা চক্রবর্তী, চিকিৎসক ও তরুণ রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা উপস্থিত ছিলেন।

















