প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ০৯
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের সন্তান অপ্রতিমকে হত্যার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শনিবার বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়ে ড. নাহিদা বেগম প্রশ্ন রাখেন, ‘আমার এতটুকু ছেলে, তার কী দোষ ছিল? সে কী অন্যায় করেছিল যে তাকে এভাবে মেরে ফেলা হলো? আমি তো কুমিল্লায় শুধু চাকরি করতে এসেছি, এটাই কি আমার অপরাধ? আমি এখন কী নিয়ে বাঁচব?’
পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে মায়ের আইফোনটি নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। এরপর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্তানকে না পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিক্ষিকা নাহিদা বেগম।
জিডি করার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনটির সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করে। ফোনটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সামাজিক বনায়ন এলাকায় ছিল বলে জানা যায়। এরপর দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনের সানন্দা এলাকার একটি পাহাড়ি টিলা থেকে অপ্রতিমের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

















