যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অত্যন্ত সাড়ম্বরে শেষ হয়েছে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘রাইকন ২০২৬’ (আইইইই ফিফথ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন রোবোটিক্স, অটোমেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইন্টারনেট অব থিংস)। শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমি ভবনের গ্যালারিতে এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
উক্ত আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের মোট ১৪টি দেশের গবেষক ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, রোবোটিক্স, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্টারনেট অব থিংস বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক বিষয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে আধুনিক এই প্রযুক্তিগুলোই বিশ্বকে চালিত করছে।
তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তির দক্ষ ব্যবহারকারী হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপ-উপাচার্য। তিনি বলেন, প্রযুক্তির এই যাত্রায় মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বজায় রাখা জরুরি, যাতে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি সর্বদা মানুষের কল্যাণে ও জনস্বার্থে ব্যবহৃত হয়। এই চমৎকার আয়োজন সম্পন্ন করায় তিনি আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।
সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন অর্গানাইজিং চেয়ার অধ্যাপক ড. ইঞ্জি ইমরান খান, জেনারেল চেয়ার অধ্যাপক ড. সেলিয়া শাহনাজ, আইইইই বাংলাদেশ সেকশনের চেয়ার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমামুল হাসান ভূঁইয়া, টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম কো-চেয়ার অধ্যাপক ড. শেখ মো. রবিউল ইসলাম এবং টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম চেয়ার অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ। অনুষ্ঠান শেষে সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং বিজয়ীদের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আনিকা আঞ্জুম এবং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক জাহেদুল ইসলাম।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমিক ভবনের গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের ১৪টি দেশের গবেষক ও প্রতিনিধ

















