উমাইয়া যুগে স্থাপিত কাঠামোগত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আব্বাসী খেলাফত (৭৫০-১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দ) কৃষি ও সেচ ব্যবস্থাপনাকে অত্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক ও সুসংগঠিত এক রূপ দান করেছিল। তৎকালীন সময়ে ইরাকের বিশাল অনাবাদি জমিগুলোকে চাষাবাদের আওতায় নিয়ে আসা এবং প্রধান শহরগুলোতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আব্বাসী শাসকরা ব্যাপক কৃষি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন।
এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তারা ফোরাত নদীর পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেন। নদীর প্রবাহকে বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা ও খাল খনন করেন এবং নদীপথে পানিপ্রবাহের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে একাধিক বাঁধ নির্মাণ করেন। আব্বাসীদের এই সুদূরপ্রসারী উদ্যোগের ফলে পশ্চিম সাহারার উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু করে উত্তর মেসোপটেমিয়ার পাহাড়ি এলাকা এবং দক্ষিণে পারস্য উপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চল পর্যন্ত বিশাল ভূখণ্ডে সেচ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। এই আধুনিক সেচব্যবস্থা সেই সময়কার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করেছিল।
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ০৯আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ১০ আব্বাসী খেলাফত (৭৫০-১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দ) উমাইয়া যুগে স্থাপিত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আব্বাসী খেলাফত (৭৫০-১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দ) কৃষি ও সেচ ব্যবস্থাপনাকে আরো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

















