ক্যাম্পাসে গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা বিএনপি ও ছাত্রদলের চিরায়ত ঐতিহ্য বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা সরকারি কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কলেজের একাদশ শ্রেণি ও অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত ‘নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এস এম ফরহাদ বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার সংসদে গণতন্ত্রের বিজয়ের কথা বলে, অথচ একই ধরনের পুনরাবৃত্তি ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরও দেখা গিয়েছিল। সে সময় বেগম খালেদা জিয়া সংসদে গণতন্ত্র অটুট রাখার কথা বললেও বাস্তবে তার বিপরীত চিত্র দেখা গেছে। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন ডাকসু নির্বাচন বন্ধ রেখে ক্যাম্পাসে গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতিসহ নানা ধরনের রাজনৈতিক নষ্টামি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ছাত্রদল লিপ্ত ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবিরের ভোলা সরকারি কলেজের আজকের নির্ধারিত কর্মসূচি বানচাল করতে তারা সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়েছে। এভাবে কাজ করতে গিয়ে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম না হয়ে বরং তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন একটি সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সরকার সংসদে গণতন্ত্রের কথা বললেও মাঠ পর্যায়ে এই দ্বিচারিতা কাম্য নয়। তিনি সরকারকে ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র হত্যার রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি বন্ধ না হলে তরুণ প্রজন্ম তাদের মোনাফেক হিসেবে চিহ্নিত করবে।
অনুষ্ঠানে ভোলা সরকারি কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আল আমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক কামরুল হাসান। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক নানা পরামর্শ দেওয়া হয়।

















