আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। এনজো ফার্নান্দেজ এবং লাউতারো মার্টিনেজের নৈপুণ্যে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা তাদের জয়যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। এই জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে টানা সাতটি ম্যাচে জয়ের রেকর্ড গড়ল, যা প্রতিযোগিতার ইতিহাসে তাদের দীর্ঘতম জয়ের ধারা। অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ১১ জুলাই ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালের পর এই প্রথম ইংল্যান্ড কোনো ম্যাচে শুরুতে গোল করেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হলো। এর মাঝে তারা টানা ছয়টি ম্যাচে গোল করেও অপরাজিত ছিল। এছাড়া ম্যাচে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট; তারা পুরো ম্যাচে মাত্র পাঁচটি শট নিতে পেরেছে, যা ২০২৬ বিশ্বকাপে তাদের কোনো ম্যাচে সর্বনিম্ন শটের রেকর্ড।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের অসাধারণ এক হেডে আর্জেন্টিনা অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করে। এর কিছুক্ষণ আগে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের একটি নিচু জোরালো শট দূরের পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সেই আক্রমণের রেশ কাটতে না কাটতেই লিওনেল মেসি ইংলিশ খেলোয়াড় ও’রিলিকে কাটিয়ে গোলমুখে একটি নিখুঁত বাঁকানো ক্রস বাড়ান। সেই ক্রস থেকে জন স্টোনস এবং রিস জেমসের মাঝখান দিয়ে লাফিয়ে উঠে মাত্র পাঁচ গজ দূর থেকে হেডের মাধ্যমে বল জালে জড়ান মার্টিনেজ। এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথ সুগম করে দেয়।
ম্যাচে ইংল্যান্ড মাত্র ৫টি শট নিতে পেরেছে।
মার্টিনেজের হেডে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে (৯০+২') লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত হেডে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে অসাধারণ এক প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করেছে আর্জেন্টিনা।

















