জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র সংস্কার। এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির ৩১ দফা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জনগণ যদি গণভোটের চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারে, তবে তারা বিএনপির ৩১ দফা কীভাবে বুঝল?
ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, ভোটচুরির স্বীকারোক্তি ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে এবং ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত আরও তথ্য সামনে আসবে। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কোনো অন্যায় করা সমীচীন নয়। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, জীবন দেব, তবুও চব্বিশের অর্জনকে হারিয়ে যেতে দেব না।
২০২৪ সালের আন্দোলনের অর্জনকে সবাই স্বীকার করলেও অনেকে এখনও অতীত নিয়ে পড়ে আছেন বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, চব্বিশের আন্দোলন না হলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি নিজে বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতেন না। অতীত আঁকড়ে ধরে জাতি সামনে এগোতে পারবে না, তাই আন্দোলনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, কোন সংবিধানে সংবিধান সংশোধন কমিটির কথা উল্লেখ আছে? তিনি গণভোটের রায়ের পক্ষে তাদের অবস্থান অটল থাকার ঘোষণা দিয়ে বলেন, সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হবে।
ভারতের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, জামায়াতই ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল। তিনি বলেন, তারা আমাদের লাল কার্ড দেখালেও আমরা তার পরোয়া করি না। এছাড়া তাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোনো ইচ্ছাও জামায়াতের নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

















