জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ের সপ্তম অধ্যায়ের প্রস্তুতিতে সহায়তার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে।
প্রথমেই প্রশ্ন আসে, কেন বলা হয় ‘সব অভিকর্ষই মহাকর্ষ, কিন্তু সব মহাকর্ষ অভিকর্ষ নয়’? এর ব্যাখ্যা হলো, মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল কাজ করে তাকে মহাকর্ষ বলে; যেমন সূর্য ও চাঁদের পারস্পরিক আকর্ষণ। অন্যদিকে, পৃথিবী ও অন্য যেকোনো বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে অভিকর্ষ বলা হয়, যেমন পৃথিবী ও চাঁদের আকর্ষণ। যেহেতু পৃথিবী মহাবিশ্বের একটি অংশ, তাই পৃথিবীর সঙ্গে অন্য বস্তুর আকর্ষণ মহাকর্ষের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। কিন্তু মহাকর্ষ বল মানেই তা পৃথিবীর সাথে সম্পর্কিত নয় বলে সব মহাকর্ষ অভিকর্ষ নয়।
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান ৯.৮ মি/সে২ বলতে কী বোঝায়? অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকেই ত্বরণ বলা হয়। এই ত্বরণ পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর দূরত্বের ওপর নির্ভর করে এবং একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ভূপৃষ্ঠে এই অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ধরা হয় ৯.৮ মি/সে২।
মহাকর্ষ ও অভিকর্ষের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো, মহাকর্ষ মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে কাজ করে এবং এটি g-এর ওপর নির্ভর করে না। বিপরীতে, অভিকর্ষ বিশেষভাবে পৃথিবী ও অন্য কোনো বস্তুর মধ্যে কাজ করে এবং এটি g-এর ওপর নির্ভরশীল।
সবশেষে, কোনো বস্তু ওপর থেকে ছেড়ে দিলে কেন নিচের দিকে পড়ে? কারণ কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর যে আকর্ষণ বল কাজ করে তা-ই অভিকর্ষ বল। যেহেতু অভিকর্ষ বলের দিক সর্বদা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে, তাই বস্তুটি নিচে পড়ে যায়। এই তথ্যগুলো পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চবিদ্যালয়, মতিঝিল, ঢাকার সিনিয়র শিক্ষক মো. ফারুক হোসেন।
বিজ্ঞান: সংক্ষিপ্ত উত্তর–প্রশ্ন অধ্যায়–৭প্রশ্ন: ‘সব অভিকর্ষই মহাকর্ষ, কিন্তু সব মহাকর্ষ অভিকর্ষ নয়’—ব্যাখ্যা করো।উত্তর: মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ, তাকে মহাকর্ষ বলে।
ভূপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g–এর মান ৯.৮ মি/সে২।প্রশ্ন: মহাকর্ষ ও অভিকর্ষের মধ্যে পার্থক্য লেখো।উত্তর: মহাকর্ষ—১.

















