প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে দেশজুড়ে চলা গুঞ্জনের মধ্যেই থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আজ শুক্রবার বা আগামীকাল শনিবার মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন—এমন আলোচনার মধ্যেই স্পিকারের দেশে ফেরার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্পিকার অবশ্য প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি। হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে ছিলাম। সুতরাং এখানে কে পদত্যাগ করলো, কী করলো আমার কিছুই জানা নেই। এখন হয়ত জানতে পারবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও সেই রকমই শুনেছি।’
সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে স্পিকার বলেন, ‘যদি রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তাহলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ একজন নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করবে। এটাই সংবিধানের পজিশন।’
উল্লেখ্য যে, সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্টকে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয় স্পিকারের কাছে। এছাড়া প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য হলে স্পিকারকে সাময়িকভাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করতে হয়। চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে অবস্থান করা স্পিকার সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফেরার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা চলছে।

















