সোমবার মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ম্যাচে মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছে ইংল্যান্ড। গোল-পাল্টা গোল, লাল কার্ড এবং গতিময় ফুটবলে ঠাসা এই ম্যাচটি ছিল সমর্থকদের জন্য দারুণ উপভোগ্য। এই জয়ে শেষ আটে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে নরওয়ে, যারা দিনের আগের ম্যাচে ব্রাজিলকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। আগামী ১১ জুলাই মায়ামি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইটি অনুষ্ঠিত হবে।
ম্যাচের ৩৬ মিনিট পর্যন্ত মেক্সিকোর রক্ষণভাগ অক্ষত থাকলেও, বুকায়ো সাকার পাস থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন জুড বেলিংহ্যাম। এর মাত্র ৯৮ সেকেন্ড পরেই হ্যারি কেনের বাড়িয়ে দেওয়া বলে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডার। তবে ৪ মিনিট পরেই হুলিয়ান কুইনোনেস গোল করে ব্যবধান কমান। প্রথমার্ধে রাউল হিমিনেজের দুটি দুর্দান্ত প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে ইংল্যান্ডের ত্রাতা ছিলেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ইংল্যান্ড বড় ধাক্কা খায়। বাজে ট্যাকলের কারণে ভিএআর দেখে রেফারি ইংলিশ ফুলব্যাক জারেল কুয়ানসাহকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া ইংল্যান্ডের ওপর চাপ বাড়ে, তবে ৬ মিনিট পরেই পেনাল্টি থেকে গোল করে হ্যারি কেন দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই গোলটি এবারের বিশ্বকাপে তার ষষ্ঠ এবং সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারের ১৪তম গোল, যার মাধ্যমে তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন জার্মান কিংবদন্তি জার্ড মুলারকে।
ম্যাচের ৬৯ মিনিটে রাউল হিমিনেজ পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনলে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। শেষ দিকে মেক্সিকো সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ তা রুখে দেয়। এই পরাজয়ের ফলে ঘরের মাঠের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো মেক্সিকোকে।

















