বাংলাদেশ

কারাগারেই জন্ম, সেখানেই বেড়ে উঠছে ৫২ শিশু

প্রতিবেদক
ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন
সব খবর

বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে উঠছে বহু শিশু, যাদের জন্মই হয়েছে কারাগারের উঁচু দেয়ালের ভেতরে। সুষ্ঠু তদারকির অভাবে এসব শিশুর স্বাভাবিক জীবন ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানেই বেড়ে উঠছে এমন ৫২টি শিশু, যাদের বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই।

গত ১৪ জুলাই কারা মহাপরিদর্শকের (আইজি প্রিজনস) বিশেষ অনুমতি নিয়ে এই প্রতিবেদক কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার (কাশিমপুর-৩) পরিদর্শন করেন। সেখানে একটি শ্রেণিকক্ষে চারজন খুদে শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন মেয়েশিশু গান শোনাচ্ছিল—‘মোরা যদি ডানাওয়ালা পাখি হইতাম/ ওই মদিনা দেখার লাগি উড়ে যাইতাম—’। এই শিশুটির মা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আসামি। কারাগারে আসার সময় তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং পরে কারাগারের ভেতরেই ঘাসের ওপর মেয়েটির জন্ম হয়। কারারক্ষীরা ঘাসের সঙ্গে মিলিয়ে শিশুটির নাম রাখেন। এই মেয়েটির মা জানান, তিনি ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এবং তার মেয়ে বাংলা, ইংরেজি পড়তে পারে। স্কুলে টিফিন হিসেবে বিস্কুট দেওয়া হয় এবং অসুস্থ হলে চিকিৎসক দেখানো হয়। তবে তিনি মেয়েকে নিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশে বাস করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন এবং জানান, তার মেয়ের বয়স ছয় বছরের বেশি হয়ে যাওয়ায় যেকোনো সময়ে সরকার তাকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নিতে পারে।

কারাগারের কর্মকর্তারা জানান, কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে ৪৮ জন নারী বন্দীর সঙ্গে ৫২টি শিশু রয়েছে। অনেক শিশুর জন্ম কারাগারেই হয়েছে এবং সেখানেই তারা বেড়ে উঠছে। গত ১৪ জুলাই কারাগারটিতে ৭০১ জন নারী বন্দী ছিলেন, অথচ এর ধারণক্ষমতা মাত্র ২১২ জনের। এর ফলে একজন বন্দীর ভাগে মাত্র ১১ বর্গফুট জায়গা পড়ে, যেখানে কারাবিধি অনুসারে ৩৬ বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ থাকার কথা। বন্দীদের মেঝেতে কম্বল বিছিয়ে থাকতে হয় এবং মা বন্দীদের জন্য আলাদা কোনো বিশেষ ব্যবস্থা নেই। এই ৭০১ জন বন্দীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৭০ জন হত্যা মামলার এবং ১৬৯ জন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত। ৩০ জন নারী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত।

কাশিমপুর কারাগারের দিবাযত্ন কেন্দ্রটিতে একটি শ্রেণিকক্ষ, একটি গ্রন্থাগার এবং কয়েকটি দোলনা সম্বলিত একটি কক্ষ রয়েছে। ছোট একটি মাঠে খেলার কিছু জীর্ণ রাইডও আছে। শ্রেণিকক্ষে চারটি শিশুকে পাওয়া গেলেও শিক্ষক কারারক্ষী আমেনা আক্তার জানান, পড়ার উপযোগী শিশু পাঁচটি। তিনি আরও জানান, এখানে তিন বছর বয়স থেকে শিশুদের অক্ষরজ্ঞান দেওয়া হয় এবং একটু বড় শিশুদের প্রাথমিক পর্যায়ের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও আরবি শেখানো হয়। নাচ, গান ও ড্রইংও শেখানো হয়। শ্রেণিকক্ষে কয়েদিদের শাড়ি পরা একজন বয়স্ক নারী শিশুদের পড়াশোনায় সহায়তা করছিলেন। তিনি ডিগ্রি পাস এবং হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত, ২০ বছর ধরে কারাগারে আছেন। তিনি জানান, যখন এসেছিলেন তখন তার দুই শিশুসন্তান ছিল, যারা আত্মীয়স্বজনের কাছে বড় হয়েছে।

এই দিবাযত্ন কেন্দ্রেই একটি ছেলেশিশুকে চুপ করে বসে থাকতে দেখা যায়। জানা গেল, সে অন্য কারাগার থেকে এসেছে যেখানে দিবাযত্ন কেন্দ্র না থাকায় পাঁচ বছরেও সে কিছু শিখতে পারেনি। এখানে আসার পর তাকে স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ পড়া ও লেখা শেখানো হয়েছে। একজন মা জানান, তার ২ বছর ২ মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে তিনি, তার স্বামী ও ননদ এক বছর ধরে হত্যা মামলায় কারাগারে আছেন। হাজিরা দেওয়ার সময় আদালতে গেলে সন্তানের সঙ্গে বাবার দেখা হয়। আরেক মা জানান, সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি কারাগারে এসেছিলেন এবং সেখানেই তার সন্তানের জন্ম হয়েছে। সন্তান নিয়ে তিন বছর ধরে তিনি কারাগারে আছেন। অন্য একজন নারী বন্দী ২১ মাস ধরে সন্তানসহ কারাগারে আছেন, যার সন্তানের বয়স তিন বছর। তিনি জানান, কারাগার থেকে সকালে ছেলেকে রুটি, চিনি, দুধ, কলা এবং দুপুরে ডাল, ভাত, মাছ দেওয়া হয়। সপ্তাহে দুই দিন মাংসও দেওয়া হয়। আরেক নারী জানান, সন্তান প্রসবের পর সন্তানের জন্য পোশাক, গামছা, ডায়াপারসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়।

কারা অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুসারে, গত ১৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের কারাগারগুলোতে মোট ৯১ হাজার ৮৭৯ জন বন্দী ছিলেন। এর মধ্যে নারী বন্দী ৩ হাজার ৪৮৭ জন। এসব নারীর মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ১ হাজার ১২০ জন এবং হাজতি ২ হাজার ৩৫০ জন। মা বন্দীর সঙ্গে শিশু ছিল ৩০৬টি, যার মধ্যে ছেলেশিশু ১৬০টি ও মেয়েশিশু ১৪৬টি। তবে ২৬ জুলাই এই সংখ্যা বেড়ে ৩১২–এ দাঁড়ায়। বন্দী মায়ের সংখ্যা ২৯১ জন। কোনো কোনো মায়ের একাধিক সন্তান কারাগারে রয়েছে। আবদ্ধ পরিবেশ ও ধারণক্ষমতার চেয়ে বন্দীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এসব শিশুকেও গাদাগাদি করে থাকতে হয়।

দেশে ৭৪টি কারাগারের মধ্যে ২৫টি কারাগারে মা বন্দীদের শিশুদের জন্য ২৬টি দিবাযত্ন কেন্দ্র রয়েছে। যেসব কারাগারে দিবাযত্ন কেন্দ্র নেই, সেগুলোতে মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের বিকাশ ও শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেই। গত ১৬ জুলাই কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মাকে যদি দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে থাকতে হয়, সে ক্ষেত্রে আবদ্ধ পরিবেশে শিশুদের মানসিক উন্নয়ন ও বিকাশ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যে দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলো গড়ে তোলা হয়েছে। কারাবিধি অনুসারে, ছয় বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা মায়ের সঙ্গে থাকতে পারে। শিশুর বয়স ছয় বছর হলে এবং বাইরে তার লালন-পালন করার মতো কেউ না থাকলে, মায়ের অনুমতি নিয়ে ওই শিশুকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু পরিবারে হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও জানান, দিবাযত্ন কেন্দ্রের জন্য শিক্ষক আছেন এবং বন্দীদের মধ্যে যাঁরা পড়ালেখা জানেন, তাঁরাও পড়িয়ে থাকেন। যেসব কারাগারে দু-একজন করে শিশু থাকে, সেখানে দিবাযত্ন কেন্দ্র না থাকলেও খেলাধুলার কিছু সরঞ্জামসহ কারাগারের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শিশুদের দেখভাল করা হয়।

বেসরকারি সংস্থা অপরাজেয় বাংলাদেশ ২০১২ সালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের জন্য প্রথম শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালনা করে। ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, দেশের যেসব কারাগারে মা বন্দীর সঙ্গে ১০ জনের বেশি শিশু রয়েছে এবং তাদের বয়স সাত-আট বছরের নিচে, সেসব কারাগারে দিবাযত্ন কেন্দ্র করা হবে। অপরাজেয় বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ওয়াহিদা বানু, যিনি ২০০৬ সাল থেকে ছয় বছর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ‘কারাগার পরিদর্শক’ ছিলেন, প্রথম আলোকে বলেন যে সাজাপ্রাপ্ত মায়েদের বেশির ভাগই দরিদ্র পরিবারের। ফলে শিশুদের যদি মায়ের সঙ্গে কারাগারে না রাখা হয়, তাহলে তারা নিখোঁজ হয়ে যেতে পারে বা পাচারের শিকার হতে পারে। তাই মায়ের সঙ্গে থাকা শিশুদের জন্য পেশাদার শিক্ষকের মাধ্যমে মানসিক বিকাশ ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

কারাগারে শিশুদের অধিকার রক্ষায় আইনি উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। গত ১১ মে প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় দেড় বছর বয়সী সন্তানসহ এক মাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এক মাস পর আদালতে হাজিরা দিয়ে কারাগারে ফেরার সময় ওই নারীর স্কুলপড়ুয়া দুই সন্তান কারাফটকে দাঁড়িয়েছিল মাকে একনজর দেখার জন্য। আসামিপক্ষের আইনজীবী মহসিন কবির প্রিজন ভ্যানের ভেতরে মায়ের কোলে থাকা শিশু ও কারা ফটকে দাঁড়িয়ে থাকা দুই শিশুর ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে তা আলোচিত হয়। এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর একটি সংবাদপত্রে ফাঁসির সেলে সাজাপ্রাপ্ত মায়ের সঙ্গে ১০ মাসের এক শিশুর বাস করা নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়। ওই বছরের ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানভীর আহমেদ শিশুটির জন্য পর্যাপ্ত খাবার, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিতে নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন। হাইকোর্ট কারাগারের কনডেমড সেলে মায়ের সঙ্গে থাকা শিশুর শারীরিক ও মানসিক উন্নয়ন নিশ্চিতে বিধি বা নীতিমালা বা প্রবিধান তৈরি করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলসহ আদেশ দেন। পরে ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হাইকোর্টে প্রতিবেদন উপস্থাপন করে জানানো হয়, শিশুটিকে নিয়ম অনুসারে প্রয়োজনীয় খাবার ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং ওই কারাগারে দিবাযত্ন কেন্দ্র রয়েছে। চলতি বছরের ৮ মে কারাগারের শিশুদের নিয়ে আরেকটি সংবাদপত্রের করা প্রতিবেদন যুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুন নাহার মাহমুদ রিট করলে ১৫ জুন হাইকোর্ট বিভিন্ন কারাগারে কারাবন্দী মায়ের সঙ্গে কত শিশু রয়েছে, তাদের বয়সসহ সার্বিক বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে কারা মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফাতেমা রেজিনা ইকবাল প্রথম আলোকে বলেন, শিশুদের মায়ের সংস্পর্শে থাকার কোনো বিকল্প নেই, যা একদিক দিয়ে ইতিবাচক। তবে অন্যদিকে, একটি শিশুর শিক্ষা, মানসিক বিকাশ ও সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার জন্য মা–বাবা, পরিবার ও সমাজের মধ্যে বড় হওয়া জরুরি। একটি শিশুর বিকাশে প্রথম পাঁচ বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কারাগারের পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশুর মধ্যে প্রতিকূলতা সৃষ্টি হতে পারে এবং একটু বড় শিশুরা অপরাধীদের দেখে বড় হলে সেই আচরণ তাদের মধ্যে চলে আসার আশঙ্কা থাকে। অধ্যাপক ফাতেমা রেজিনার মতে, যেসব কারাগারে মা বন্দী রয়েছেন, সেখানে অবশ্যই দিবাযত্ন কেন্দ্র থাকা উচিত। কারাগারে থাকা শিশুদের শিক্ষকের তদারকিতে পড়াশোনা, ছবি আঁকা, ছড়া–কবিতা ও নীতিকথা শেখানো উচিত। শিশুদের সুষ্ঠু তদারক করা প্রয়োজন, যাতে তারা বাইরের জগতে প্রবেশের পর সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক জীবন পেতে পারে।

মাধবীলতা নামের একটি সেল ভবন রয়েছে, সেখানে থাকেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীরা।২০১৬ সালের ১৯ জুন জাতীয় সংসদে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কারাবিধি অনুযায়ী বন্দীদের ঘুমানোর জন্য ৩৬ বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ।.দুই মাস বয়সী সন্তান কোলে এক মা জানান, তিনি সন্তান নিয়ে মেঝেতেই ঘুমান।

ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন
সব খবর