খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অতি ভারী বর্ষণের ফলে নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে শনিবার সকাল থেকে দীঘিনালা-সাজেক ও দীঘিনালা-লংগদু রুটে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করায় মেরুং, কবাখালী, হামতলী ও বেয়োলখালী এলাকার নিচু অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি ও আমনের খেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে, এছাড়া দীঘিনালা-মেরুং সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পরিস্থিতির শিকার স্থানীয় অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।
দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূধি চাকমা জানান, শুক্রবার রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে বিরল। জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, শুক্রবার গভীর রাতের এই বর্ষণে খাগড়াছড়ি শহর ও আশপাশের এলাকা এবং দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে এবং আশ্রয় নেওয়া মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার জানিয়েছেন, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের ৫ মাইল ও ৯ মাইল এলাকায় বড় ধরনের পাহাড় ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে মাটি সরানোর কাজ চলমান রয়েছে, তবে রাস্তাটি সচল করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।

















