বাংলাদেশ

নিরাপদ প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় নয় বছর পার করা রোহিঙ্গাদের আকুতি

প্রতিবেদক
ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন
সব খবর

প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার নয় বছর পূর্ণ হলো রোহিঙ্গাদের। দীর্ঘ এই শরণার্থী জীবনে ক্লান্ত এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন লাখো রোহিঙ্গা এখন নিজ ভূমি মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরে যেতে চান। তবে তারা কেবল ফিরে যেতেই আগ্রহী নন; বরং নাগরিকত্ব, জাতিগত পরিচয়, বসতভিটা ও জমিজমার অধিকার এবং নিরাপত্তার সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা নিয়েই স্বদেশে ফিরতে চান। রোহিঙ্গাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত না হলে তারা আরেক দফা নির্যাতনের মুখে পড়তে চান না। বিশেষ করে রোহিঙ্গা আগমনের আজ ৯ বছর পর এসে যেসব সরকারি-বেসরকারি, এনজিও, আইএনজিও ও দাতা সংস্থা কাজ করছে তারাও এখন ক্লান্ত।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা ও নির্যাতনের মুখে এ অবস্থায় প্রাণে বাঁচতে কয়েকদিনের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেন। কক্সবাজারে আগে থেকে আশ্রয় নেওয়া আরও তিন লাখ রোহিঙ্গা ও পরবর্তী সময়ে আসা দেড় লাখসহ বর্তমানে ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। নয় বছর ধরে তারা নিরাপদ প্রত্যাবাসনের প্রতীক্ষায় থাকলেও একাধিক উদ্যোগ ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পরও একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।

প্রত্যাবাসনের পথ দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট ও রাখাইনে চলমান সংঘাত এখন প্রত্যাবাসনের প্রধান বাধা। বর্তমানে রাখাইনের বড় একটি অংশ আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকায় সেখানে ফিরে গিয়ে রোহিঙ্গারা নিরাপদে থাকবেন কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রোহিঙ্গা নেতারা বলছেন, যুদ্ধের মধ্যে প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়।

রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা মাওলানা সৈয়দ উল্লাহ বলেন, নাগরিকত্ব, জাতিগত পরিচয় এবং গণহত্যার বিচারের নিশ্চয়তা না পেলে তারা মিয়ানমারে ফিরে গিয়ে আবারও নির্যাতনের শিকার হবেন। তিনি আরও জানান, মিয়ানমার সরকার তাদের বাঙালি হিসেবে চিহ্নিত করছে, অথচ তারা মিয়ানমারের নাগরিক। ১৫ নম্বর ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা জুলফিকার হায়দার ও ১৩ নম্বর ক্যাম্পের মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য নেতারাও একই সুরে কথা বলেছেন। তারা জানান, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এগিয়ে না আসলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইট-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জুবায়ের জানান, তারা বাঙালি নন, রোহিঙ্গা হিসেবেই নিজ দেশে ফিরতে চান। বাংলাদেশে থাকা আর ১ লাখ রোহিঙ্গাকে তারা শনাক্ত করেছে সন্ত্রাসী ও বাঙালি হিসেবে।

এদিকে, প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হওয়ায় স্থানীয়দের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। রাজা পালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন ও কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের সভাপতি আ ন ম হেলাল উদ্দিন জানান, রোহিঙ্গারা স্থানীয় শ্রমবাজার দখল করাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। কক্সবাজার রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানান, বেসরকারি হিসাবে রোহিঙ্গা সংখ্যা ২০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং তাদের ওপর কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, বাংলাদেশ সরকার প্রত্যাবাসনের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকলেও মিয়ানমারের অস্থিতিশীলতার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এই সংকট থেকে সরে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সাহায্যও কমে আসছে। বিশ্লেষক সুজা উদ্দিনের মতে, গণহত্যার বিচার না হওয়ায় মিয়ানমার আরও উগ্র হয়ে উঠছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ফেরাতে এই সংকটের দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। বর্তমানে জাতিসংঘের প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোও আগামী অক্টোবর পর্যন্ত খাদ্য সহায়তার পর অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ৩ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করার কথা জানালেও, তাদের বাঙালি হিসেবে আখ্যায়িত করার ঘটনায় বাংলাদেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত ঝিনাইদহে ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ, ভাগ্নী জামাইয়ের লাঠির আঘাতে মামা শ্বশুর নিহত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে সরব ব্রায়ান লারা জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন এটি, ঈদের পরের নয়: শফিকুর রহমান আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক আটক নারীদের মুখ দেখাতে পুলিশের বাধ্য করার ভিডিও নিয়ে বিতর্ক পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ পোশাক খাতের ৫০ লাখ শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? লংমার্চে হাজারো গাড়ি দেখে শামা ওবায়েদের প্রশ্ন, গাড়ি কি তেলে চলে না? নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে নতুন কোচ নিয়োগে যাচাই-বাছাই করবে বাফুফে মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল মিটার বসানোর আগেই মাদারগঞ্জের গ্রাহকের নামে এল বিদ্যুৎ বিল বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন বিরোধী জোট দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: জহির উদ্দিন স্বপন
সব খবর