মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-২৩ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জিডি ট্রফি চলাকালীন দেশের তারকা ক্রিকেটারদের উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে তরুণদের খেলা দেখার পাশাপাশি এদিন তাদের মূল লক্ষ্য ছিল বিসিবির সঙ্গে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা। আসন্ন বিপিএল আয়োজন নিয়ে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ও বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
বিসিবি সভাপতি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জানিয়েছিলেন, যথাযথ মান নিশ্চিত করা না গেলে বিপিএল আয়োজন করা হবে না। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটি হচ্ছে না বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। গত দুই আসরে বিপুল আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি নানা বিতর্ক ও উপযুক্ত কাঠামোর অভাবের কারণে বোর্ড এই সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি ইতিমধ্যে এক বছর অপেক্ষা করতে রাজি হয়েছে।
বৈঠকে বিসিবি সভাপতির পাশাপাশি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা, ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ইসরাফিল খসরু এবং নারী বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু উপস্থিত ছিলেন। কোয়াবের পক্ষ থেকে সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইফ হাসান, নাসির হোসেন, মার্শাল আইয়ুব, এনামুল হক, ইয়াসির আলি চৌধুরি ও ফজলে মাহমুদ রাব্বিসহ সিনিয়র ক্রিকেটাররা অংশ নেন।
বৈঠক শেষে নাসির হোসেন জানান, বিপিএল না হওয়ার বিষয়টি বোর্ড সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছে এবং ক্রিকেটাররা বোর্ডের যুক্তিতে সন্তুষ্ট। তবে বিপিএল না হলে খেলোয়াড়রা যে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে, তা পুষিয়ে নেওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা চলছে। সাধারণত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বিপিএল অনুষ্ঠিত হয়। এই দেড় মাসের সময়টাতে অন্য কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন করা যায় কি না, তা নিয়ে দুই পক্ষই প্রস্তাব আদান-প্রদান করেছে।
নাসির হোসেন আরও উল্লেখ করেন যে, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন এমন একটি সুন্দর সমাধানের প্রত্যাশায় পরবর্তী সভার অপেক্ষায় রয়েছে বিসিবি ও কোয়াব।

















