কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জে আই ইমপ্রেক্স নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢাকা পূর্বাঞ্চলীয় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এই অভিযানকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানটি পরিচালনা করেন কাস্টমস বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুনের নেতৃত্বে একটি দল।
অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কাস্টমস কর্মকর্তাদের মিষ্টি, দুধ ও পানির বোতল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই তল্লাশি কার্যক্রমের পর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নথিপত্র এবং কিছু মালামাল জব্দ করে নিয়ে যান। জব্দকৃত মালামাল ও নথিপত্র কাস্টমসের গাড়িতে তুলে নেওয়ার সময় সাংবাদিকরা অভিযানের কারণ এবং অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুন কোনো ব্যাখ্যা না দিয়েই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অভিযান চলাকালীন কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন এবং পরবর্তীতে কোনো তথ্য না দিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে রহস্যের দানা বেঁধেছে। জে আই ইমপ্রেক্সের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি শুভ জয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, এই অভিযানের ফলে তাদের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
সরকারি রাজস্ব আদায়কারী সংস্থার এই ধরনের অভিযান এবং পরবর্তীতে ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু না জানানোয় জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। অভিযানের সুনির্দিষ্ট কারণ কী ছিল, কী কী নথি জব্দ করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকির কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

















