অপরাধ

হাসপাতালে নেওয়ার পথে গত ৫ বছর ৯ মাসে ৩০০ কারাবন্দীর মৃত্যু

প্রতিবেদক
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে ডিআইজি বাংলোয় অভিযান: স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ ডিআইজি বাংলোয় অভিযান: স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা ইথিওপিয়ার ওরোমিয়াতে পৃথক হামলায় নিহত ৬০ ইথিওপিয়ার ওরোমিয়াতে পৃথক হামলায় নিহত ৬০
সব খবর

দেশে কারাগারের সংখ্যা ৭৫ হলেও বন্দী ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার। বর্তমানে ১ লাখ ৬ হাজারের বেশি বন্দী রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ২০২১ সাল থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৫ বছর ৯ মাসে অন্তত ৩০০ কারাবন্দীর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতাল নেওয়ার পথে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১,২৩৫ জন বন্দী মারা গেছেন.

কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বন্দীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বন্দীর বয়স কম হওয়া সত্ত্বেও অকালমৃত্যু হচ্ছে। কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এবং সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, এই ৯ মাসে অন্তত ২৫১ জন বন্দী মারা গেছেন। এর মানে হলো, চলতি বছর প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ২৮ জন বন্দী মারা গেছেন, যা গত ৫ বছর ৯ মাসের গড় মাসিক মৃত্যুর হার (প্রায় ১৮ জন) থেকে বেশি.

স্বজনদের অভিযোগ, কারাগারগুলোতে বন্দীদের গাদাগাদি করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হয়। এই পরিবেশে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন, আবার অনেকের আগে থেকেই অসুস্থতা থাকে। সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেও অনেক বন্দীর মৃত্যু হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে.

হাসপাতালে নেওয়ার পথে বন্দীর মৃত্যুর ঘটনায় কারা অধিদপ্তরও উদ্বিগ্ন। গত ২৫ জানুয়ারি কারা অধিদপ্তর সব জেল সুপারকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিভিন্ন কারাগারে ‘ব্রট ইন ডেড’ (মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া) আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এই পরিস্থিতি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল.

চিকিৎসা সুবিধার স্বল্পতার কথা কারা কর্তৃপক্ষও স্বীকার করে। ভারপ্রাপ্ত কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, কোনো মৃত্যু কাম্য নয়। বন্দীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মৃত্যুও বেড়েছে। তিনি জানান, কারা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও অ্যাম্বুলেন্স সংকট রয়েছে। অস্থায়ী ভিত্তিতে আসা চিকিৎসকেরাও নির্দিষ্ট সময়ের বেশি থাকেন না। প্রয়োজনের সময় যানবাহন ভাড়া করে বাইরের হাসপাতালে রোগী পাঠাতেও দেরি হয়.

কর্নেল মোস্তফা কামাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে গুরুতর অসুস্থ বন্দীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে যানজটের কারণে অন্তত তিন ঘণ্টা লেগে যায়। এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় পথেই বন্দী মারা যান। দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে অসুস্থ বন্দীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এসব বন্দীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মাধ্যমে ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে পাঠাতেও সময় ক্ষেপণ হয়। কারা হাসপাতালে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া গেলে হয়তো বন্দীরা বেঁচে যেতে পারতেন.

সাধারণত দেশের কারাগারগুলোতে ৮০-৮২ হাজার বন্দী থাকেন। গতকালের হিসাব অনুযায়ী, এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬ হাজারে, যা কারাগারের ৪৫ হাজার ১৮৬ ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি.

কারাগারে নানা অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং মামলা চলা অবস্থায় জামিন না পাওয়া আসামিরাও বন্দী থাকেন। দেশে ৭৫টি কারাগারের মধ্যে ১৫টি কেন্দ্রীয় ও ৬০টি জেলা কারাগার রয়েছে। কারা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে উল্লিখিত মিশন অনুযায়ী, বন্দীদের নিরাপদ আটক নিশ্চিত করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মানবিক আচরণ করা, বাসস্থান, খাদ্য, চিকিৎসা এবং আত্মীয়স্বজন ও আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশ্চিত করা এবং সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মোটিভেশন ও প্রশিক্ষণ দেওয়া তাদের দায়িত্ব। তবে এত বিপুল সংখ্যক বন্দী রেখে এই সুবিধাগুলো যথাযথভাবে দেওয়া সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে.

ওয়ার্ল্ড প্রিজন ব্রিফ ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে কারাগারে বন্দী ছিলেন ৬৫ হাজার ৬৬২ জন। ২০২০ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৮ হাজারের মতো। চলতি মাস সেপ্টেম্বরের হিসাবে বন্দী সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজারের কিছু বেশি, যা কারা অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে আরও ৪ হাজার বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্রেপ্তার বেশি হওয়া, মাদক, ছিনতাই, সাইবার অপরাধ এবং রাজনৈতিক মামলায় অনেককে গ্রেপ্তার করা এবং জামিন না পাওয়াই বন্দী সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন কারা সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা.

কারা হাসপাতালের জন্য অনুমোদিত ১৪৮টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে স্থায়ী চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র দুজন। সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের দপ্তর থেকে অস্থায়ী ভিত্তিতে ১০১ জন চিকিৎসক পাঠানো হলেও তারা দিনে কয়েক ঘণ্টা করে হাসপাতালে থাকেন। ফলে দুপুরের পর কোনো বন্দী অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ৭৫টি কারা হাসপাতালের জন্য মাত্র ২৭টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অসুস্থ বন্দীকে অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হলে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না, তখন অন্য যানবাহনে পাঠাতে হয়, যেগুলোতে অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে না.

সম্প্রতি একের পর এক বন্দীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাত্র ৪০ মিনিটের ব্যবধানে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দুই বন্দী পরশ তালুকদার (৩৫) ও স্বপন চন্দ্র দাস (৫৯) মারা যান। এর মধ্যে একজনকে হাসপাতালে আনার সঙ্গে সঙ্গে মৃত ঘোষণা করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দুই বন্দী তোফাজ্জল ওরফে পলাশ (৩৮) ও ইফতেখার মাহমুদ (৩৬), যাদের বয়স ৪০-এর নিচে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ২৪ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর জেলা কারাগারের বন্দী আসাদুজ্জামান শেখ (৪২) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন ওয়ার্ডে মারা যান। গত শনিবার রাতে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের কিশোরগঞ্জের নেতা খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০).

খাইরুল আমিন রুহুল সরকারের বড় ভাই মো. নুরুল আমীন জানান, কারাবন্দী অবস্থায় তিন দিন ধরে বুকে ব্যথার কথা জানালেও যথাসময়ে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা পেলে হয়তো তাঁর শারীরিক অবস্থা এতটা সংকটাপন্ন হতো না.

কারা অধিদপ্তর ও কারা হাসপাতাল সূত্র বলছে, বন্দীদের মধ্যে অনেকেই হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও লিভারের রোগ, ডায়াবেটিস, চর্ম, দন্তসহ নানা রোগে ভুগছেন, ফলে তাঁদের নিয়মিত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সাড়ে ১৩ হাজার বন্দী থাকলেও সেখানে ৭ জন চিকিৎসকের বিপরীতে সংযুক্ত অবস্থায় আছেন মাত্র দুজন। এই হাসপাতালে বিশেষায়িত কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয় না এবং লোকবলের অভাবে রোগ পরীক্ষাও খুব কম হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি কারাগারে একজন মানসিক চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও তা নেই। নারী বন্দীর সংখ্যা তিন হাজারের বেশি হলেও কোনো গাইনি চিকিৎসক নেই। অস্থায়ী চিকিৎসকেরা জানান, দিনে তিন থেকে চার শ বন্দীকে চিকিৎসা দিতে হয়, যা অত্যধিক। পদোন্নতি ও চাকরির সুযোগ-সুবিধা কম থাকায় চিকিৎসকেরা কারা হাসপাতালে থাকতে চান না.

মানবাধিকারকর্মী মো. নুর খান বলেন, বন্দীরা কারাগারে রাষ্ট্রীয় ও নিরাপদ হেফাজতে আছেন। আইন অনুযায়ী তাঁদের প্রাপ্য খাবার, ঘুমানোর জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। অথচ কারাগারে ১০ জনের জায়গায় ১৫ জন গাদাগাদি করে থাকছেন। সন্ধ্যার পর হৃদ্‌রোগ বা স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও চিকিৎসক সংকটে তা দেওয়া যায় না। রাতে কোনো বন্দী গুরুতর অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স বা পরিবহন সংকটের কারণে তাঁদের স্থানান্তর করা যায় না। তিনি আরও বলেন, এসব মৃত্যু নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ থেকে যায় এবং এর দায় রাষ্ট্র ও কারা কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। এসব অপরাধমূলক অবহেলা। জাতিসংঘ কর্তৃক ২০১৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ রেজুলেশন ৭০/১৭৫-এর মাধ্যমে বন্দীদের প্রতি আচরণের জন্য জাতিসংঘের ন্যূনতম মানদণ্ড (ইউনাইটেড ন্যাশনস স্ট্যান্ডার্ড মিনিমাম রুলস ফর দ্য ট্রিটমেন্ট অব প্রিজনার্স) গ্রহণ করে।

জাতিসংঘের নেলসন ম্যান্ডেলা রুলস অনুযায়ী, বন্দীকে অমানবিক পরিবেশে রাখা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা বা মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা শাস্তির অংশ হতে পারে না। রাষ্ট্রের হেফাজতে থাকা অবস্থায় বন্দীর জীবন, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রেরই। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বন্দীর সংখ্যা ছিল ৭৮ হাজার। কারা সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্রেপ্তার বেশি হচ্ছে। কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৫ বছরে ২৭৫ বন্দীর মৃত্যু।

কারা অধিদপ্তর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৫ বছর ৯ মাসে ১২৩৫ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে।

২০২০ সালে বন্দী ছিলেন ৮৮ হাজারের মতো।ওয়েবসাইটটিতে ২০০০ সাল থেকে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, বন্দীর সংখ্যা কখনো লাখ ছাড়ায়নি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে ডিআইজি বাংলোয় অভিযান: স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ ডিআইজি বাংলোয় অভিযান: স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা, ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা ইথিওপিয়ার ওরোমিয়াতে পৃথক হামলায় নিহত ৬০ ইথিওপিয়ার ওরোমিয়াতে পৃথক হামলায় নিহত ৬০
সব খবর