অপরাধ

ডিআইজি বাংলোয় অভিযান: স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ

প্রতিবেদক
শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য
সব খবর

রাজধানীর ভাটারায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাংলোয় গভীর রাতে পরিচালিত একটি অভিযান এবং সেখানে ৮৫ জনকে আটকের পর অল্প সময়ের মধ্যে তাদের কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনাটি এখনো নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযান হিসেবে পরিচিতি পেলেও এর নেপথ্যে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ স্বার্থের দ্বন্দ্ব কাজ করেছে কিনা, তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ডিআইজি জহিরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, বদলি-সংক্রান্ত কার্যক্রমে তার প্রভাব এবং পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১-এর (পিওএইচএস-১) দপ্তর সম্পাদক হিসেবে তার অবস্থানকে ঘিরে সম্ভাব্য বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে।

পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন সূত্রের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে ডিআইজি জহিরের প্রভাব নিয়ে বাহিনীর একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার স্বার্থে এই অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকতে পারে বলেও কেউ কেউ সন্দেহ করছেন। অভিযানের নির্দেশদাতা কারা, কী তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল এবং আটক ব্যক্তিদের দ্রুত সাজা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা কী ছিল—এসব প্রশ্নেও রহস্যের কোনো কিনারা পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ডিআইজি জহিরের প্রভাবের অন্যতম ভিত্তি ছিল তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এর মধ্যে রয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-২ (পিএম-২) শাখা, এসআই-এএসআইদের বদলি-সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১-এর দপ্তর সম্পাদকের পদ। এসব দায়িত্বের মাধ্যমে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও আবাসন-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার প্রভাব তৈরি হয়েছিল বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের বদলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পদায়ন পেতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা জহিরের বিরুদ্ধে বদলি-সংক্রান্ত প্রভাব কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য পরিচালনার অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, পছন্দের জায়গায় পদায়নকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনের একটি অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থা ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল জহির বলেন, বদলি-পদোন্নতির দায়িত্বে থেকে কোনো ধরনের অনিয়ম করেননি এবং এ নিয়ে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত আছেন। তিনি মনে করেন, অন্য কেউ এ সুবিধা নিতে হয়তো তার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা প্রচারণা চালাতে পারেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক সূত্র জানায়, বদলি শাখা এবং হাউজিং সোসাইটির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে কোনো গোষ্ঠীগত বিরোধ থেকেও এই অভিযান চালানো হতে পারে। তবে এ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তা বা গোষ্ঠীকে অভিযানের নেপথ্যে দায়ী করার মতো তথ্য দিতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, ডিআইজি জহিরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের আরেকটি কারণ হলো পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১। প্রায় ১৪৩ একর জমিতে গড়ে ওঠা এই আবাসন প্রকল্পে প্রায় ১১০০ প্লট রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। প্লট বরাদ্দ, নির্মাণ ও আবাসন-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ থাকায় সোসাইটির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সেই সঙ্গে ভাটারায় সাড়ে ছয় কাঠা জমির ওপর জহিরের তিনতলা বাড়ি নির্মাণের অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বাড়িটি স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার কাজে ব্যবহার করা হতো।

অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তা ডিসি ইলিয়াস কবিরের বক্তব্য থেকে এটা মোটামুটি স্পষ্ট যে, বাড়িটিতে পার্টি হওয়ার বিষয়ে আগে তাদের কাছে কোনো তথ্য ছিল না। ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের নির্দেশে তারা অভিযান চালিয়েছিলেন। তার এ বক্তব্যের পর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে: অভিযান পরিচালনাকারী দলের কাছে আগে থেকে নির্দিষ্ট তথ্য না থাকলে কোন ভিত্তিতে এত বড় অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল? কারা নির্দেশ দিয়েছিলেন? ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে কী ধরনের তথ্য ছিল? অভিযান পরিচালনার আগে কোনো গোয়েন্দা যাচাই হয়েছিল কি না? অর্থাৎ, কোনো গোয়েন্দা তথ্য ছাড়াই শুধু নির্দেশে রাত আড়াইটায় অভিযান পরিচালনা করায় অনেক প্রশ্ন সামনে আসছে।

অভিযানের পর আটক ৫৯ জন পুরুষকে এক মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা এবং ২৬ জন নারীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। এত অল্প সময়ে ৮৫ জনের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা সম্পন্ন হওয়ায় প্রক্রিয়াটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

প্রকাশিত জব্দ তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে কিছু মদ, একটি খালি হুইস্কির বোতল এবং একটি ইয়াবা বড়িসহ সামান্য মাদকদ্রব্য উদ্ধারের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশের দাবি ছিল, বাড়িটিতে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন ও নিয়মিত পার্টির আয়োজন চলছিল। একই ঘটনায় দুই তথ্যের মধ্যে ব্যবধান থাকায় অভিযানের আগে সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্য এবং পরবর্তী তদন্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আটক ব্যক্তিরা অভিযানের আগেই মদ ও ইয়াবা সেবন করেছিলেন, কিন্তু প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছিল, কোনো চিকিৎসা বা মাদক শনাক্তকরণ পরীক্ষা হয়েছিল কি না এবং আদালতে কী তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ কোনো তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ।

তাছাড়া, আটককৃতদের সাজার ভিত্তি হিসেবে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে জনসাধারণের অসুবিধা সৃষ্টি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধানের কথা এসেছে। সবার ক্ষেত্রে একই অভিযোগ ছিল কি না, কোন ব্যক্তিকে কোন আইনি বিধানে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং নারী-পুরুষের সাজার মেয়াদ আলাদা হওয়ার কারণ কী—এসব প্রশ্নেরও কোনো সুদুত্তর দিতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। কারণ, এত বড় অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা স্পষ্ট হলে এমন বিতর্ক হত না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনাটি নিয়ে সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলামের কাছে প্রশ্ন করা হলেও অভিযানের পেছনের সব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তিনি বাড়িতে উপস্থিত ব্যক্তিদের পেশা ও তারা কী উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হয়েছিলেন, তা জানতে পারেননি বলে জানিয়েছেন। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সন্তান থাকার দাবি উঠেছে। তাদের পরিচয়, সেখানে উপস্থিতির উদ্দেশ্য কিংবা কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যাচাইযোগ্য কোনো তথ্যও পুলিশের পক্ষ থেকে জানা যায়নি। তাই ডিবি প্রধানের বক্তব্যে এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা না থাকায় ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে আরও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ডিবি প্রধান বলেন, অভিযানের সময় মাদকসেবনের অভিযোগের পক্ষে কী প্রমাণ ছিল, তা যাচাই করা দরকার। অন্যদিকে, পুলিশের অভ্যন্তরীণ স্বার্থের দ্বন্দ্ব অভিযানের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল কি না, সেটিও অনুসন্ধানের বাইরে রাখা উচিত নয়।

শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে মুশফিককে ছাড়াই মাঠে নামল বাংলাদেশ গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে গাজীপুরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ফোন চার্জ দিতে গিয়ে আটক ছেলে বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাপান মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের মর্গে ছবি দেখে মেয়ের খোঁজ মিলল, কিন্তু শেষবার দেখা হলো না বাবা-মায়ের দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখতে যুবদল রাজপথে সজাগ থাকবে: হুইপ দুলু রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য
সব খবর