বাংলাদেশ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি, পুলিশ এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি

প্রতিবেদক
সৌদি আরবে বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলায় নিহত ৪ সৌদি আরবে বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলায় নিহত ৪ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা খুলনা ও বাগেরহাটে সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা ও বাগেরহাটে সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কে প্রতিদিন নিহত ৬৬, পঙ্গু ১০৪: কেন এত দুর্ঘটনা? সড়কে প্রতিদিন নিহত ৬৬, পঙ্গু ১০৪: কেন এত দুর্ঘটনা? ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য জরুরি: তথ্যমন্ত্রী ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য জরুরি: তথ্যমন্ত্রী বিএনপির রাজনীতিতে 'গুপ্ত' স্লোগান ও অভ্যন্তরীণ সংকট বিএনপির রাজনীতিতে ‘গুপ্ত’ স্লোগান ও অভ্যন্তরীণ সংকট ডিজে পার্টির আড়ালে মাদক সেবন ও অনৈতিক কার্যকলাপ: অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান ডিজে পার্টির আড়ালে মাদক সেবন ও অনৈতিক কার্যকলাপ: অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান আগামীকাল খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে ফের প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে ফের প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ব্যাটিং বিপর্যয়ে আফগানিস্তানের কাছে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ে আফগানিস্তানের কাছে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় বাংলাদেশের
সব খবর

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত হলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি ফেরেনি। খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, ব্যস্ত সড়ক, বাজার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে গুলি চালানো, চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং আদালত বা থানা থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনাগুলো জনমনে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ বাহিনী এখনও পুরোপুরি মনোবল নিয়ে কাজে ফিরতে পারেনি বলে জানা গেছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ছয় মাসে সাত শ্রেণির মোট ২১ হাজার ৭৫৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর আগের ছয় মাসে, অর্থাৎ গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত একই সাত শ্রেণিতে মামলা হয়েছিল ২১ হাজার ২২৮টি। এই হিসাবে মামলার সংখ্যা ৫২৮টি বা প্রায় আড়াই শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাত শ্রেণিগুলো হলো খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন, পুলিশের ওপর হামলা, ডাকাতি ও দস্যুতা, ছিনতাই, অপহরণ এবং চুরি। এর মধ্যে প্রথম তিন শ্রেণিতে মামলার সংখ্যা বেড়েছে, তবে অন্য চার শ্রেণিতে কমেছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাওয়া এই হিসাব মূলত মামলার সংখ্যা নির্দেশ করে, যা সংঘটিত সব অপরাধের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নাও হতে পারে। কারণ, অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন না অথবা অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয় না। ফলে, শুধুমাত্র মামলার সংখ্যা দিয়ে অপরাধের প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন।

সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছিলেন। গত মে মাসে পুলিশ সপ্তাহে তিনি কিশোর গ্যাং, মাদক বিস্তার রোধ এবং মব সহিংসতা দমনে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে, সরকারের প্রথম ছয় মাসের অপরাধ পরিস্থিতি ও মাঠপর্যায়ের চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এখনো প্রত্যাশিত উন্নতি পরিলক্ষিত হয়নি।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রমতে, সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সদর দপ্তরে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে ছিনতাই, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশের সকল মহানগর পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক এবং জেলার পুলিশ সুপারদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি-জুলাই সময়ে সারা দেশে খুনের ঘটনায় ১ হাজার ৭৮৯টি মামলা হয়েছে, যা আগের ছয় মাসের ১ হাজার ৭৮০টির তুলনায় ৯টি বেশি। নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গত ছয় মাসে ১১ হাজার ১৬৫টি মামলা দায়ের হয়েছে, যা আগের ছয় মাসের ১০ হাজার ৯০টির চেয়ে ১ হাজার ৭৫টি বেশি। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ফেব্রুয়ারি-জুলাই সময়ে মামলা হয়েছে ৩১৭টি, যা আগের ছয় মাসের ২৭৫টির চেয়ে ৪২টি বেশি। এই প্রথম তিন শ্রেণিতে মোট মামলার সংখ্যা ১ হাজার ১২৬টি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ডাকাতি ও দস্যুতা, ছিনতাই, অপহরণ এবং চুরির মামলা আগের ছয় মাসের তুলনায় সম্মিলিতভাবে ৫৯৮টি কমেছে। এই চার শ্রেণিতে গত ছয় মাসে মামলা হয়েছে ৮ হাজার ৪৮৫টি, যা আগের নয় হাজার ৮৩টির চেয়ে কম। সব মিলিয়ে সাত শ্রেণিতে মামলার নিট বৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৫২৮টি।

সরকারি হিসাবে ডাকাতি, দস্যুতা, ছিনতাই, অপহরণ ও চুরির মামলা কমলেও ভুক্তভোগী এবং সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রমতে, এসব অপরাধের সব ঘটনা থানায় মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয় না। ঝামেলা মনে করে বা হয়রানির আশঙ্কায় অনেক ভুক্তভোগী থানায় যান না। আবার কোনো কোনো থানা মামলা না নিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করে অথবা তদন্তের কথা বলে ‘লিখিত অভিযোগ’ হিসেবে রেখে দেয়, যা অনেক সময় মামলায় রূপান্তরিত হয় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো দেখানোর প্রবণতা থেকেও কিছু কিছু থানা মামলা নিতে নিরুৎসাহিত করে। এতে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হয় এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম ও অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, কোনো ঘটনায় মামলা গ্রহণ না করলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য অবৈধ অস্ত্র একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গত বছরের আগস্টে থানা ও পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গুলির একটি অংশ এখনও উদ্ধার হয়নি। বিভিন্ন অপরাধের তদন্তে অপরাধীদের হাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থাকার তথ্যও সামনে এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জামিনে মুক্তি পাওয়া কিছু পুরোনো ও তালিকাভুক্ত অপরাধী পুনরায় চাঁদাবাজি, দখল, আধিপত্য বিস্তার ও হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে বলে পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের বাধা ও হামলার শিকার হতে হচ্ছে। গত ৯ জুন সাভারে মাদক মামলার এক পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের দুই সদস্য হামলার শিকার হন এবং হামলাকারীরা আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। এর এক সপ্তাহ পর ১৬ জুন রাজধানীর আদাবরে ছিনতাইকারীদের ধরতে গিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ দুই পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করা হয়। কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অভিযোগ, কিছু অভিযানের সময় রাজনৈতিক পক্ষগুলো লোক জড়ো করে মব তৈরি করছে, যা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদস্যদের সিদ্ধান্তহীনতায় ফেলছে।

পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের অন্তত ১০ জন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ের সদস্যদের পুরো মনোবল ফিরে না পাওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে তৈরি হওয়া মানসিক আঘাত, দায়িত্ব পালনকালে হামলা ও বাধা, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সমর্থন নিয়ে সংশয়, রাজনৈতিক চাপ, ঘন ঘন বদলি-পদায়ন এবং চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং পরবর্তী সময়ে পুলিশ সদস্য ও স্থাপনায় হামলার ঘটনায় বাহিনীর মধ্যে যে ভীতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। বর্তমানে আইনসম্মত বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রেও অনেক সদস্য সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করেন। অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, অপরাধ অনেকটা ঢেউয়ের মতো বাড়ে-কমে। গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ মানসিক আঘাতের মধ্যে ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই অবস্থা থেকে বাহিনী ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। তাঁর মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশ নিয়ে অপপ্রচার বাহিনীর স্বাভাবিক হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা পেলে পুলিশ পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

পুলিশের ১ হাজার ৪৯০ জন সদস্যের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানোর অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনায় ৬৮ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং ৫৭ জন পলাতক রয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাও কারাগারে আছেন। এছাড়া, বিভিন্ন পদমর্যাদার ১৯৭ পুলিশ সদস্যকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে সর্বশেষ ১৩ আগস্ট ৫৬ কর্মকর্তাকে অবসর দেওয়া হয়। ১৪২ জনকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে বা বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে। পলায়নের অভিযোগে ৯৩ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে হওয়া মামলায় আরও ২৬ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের একটি অংশ অভিযোগ করেছে যে, প্রকৃত সম্পৃক্ততা যাচাই না করেই অনেককে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, কেউ ঘটনাস্থলে ছিলেন না, কারও নাম দায়িত্ব পালনের তালিকায় ছিল না, আবার কেউ ঘটনার সময় অন্য ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। পুলিশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেও কেউ কেউ মামলার আসামি হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের কেউ কেউ মনে করেন, অতীতে ক্ষমতার অপব্যবহার, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে জড়িত কর্মকর্তাদের বিচার হওয়া জরুরি। তবে, অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং ব্যক্তির দায় নির্ধারণ করেই আইনি বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। মামলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার কারণে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের একটি অংশ এখন বাহিনীর বাইরে, যা কিছু ইউনিটে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তার সংকট তৈরি করেছে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (সাবেক আইজিপি) মো. আবদুল কাইয়ুম বলেছেন, পুলিশের প্রথম কাজ অপরাধ প্রতিরোধ করা। সেখানে ব্যর্থ হলে দ্রুত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে হবে। কোনো অপরাধের ঘটনা নথিভুক্ত না করার অর্থ অপরাধীকে উৎসাহিত করা এবং ভুক্তভোগীকে প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করা। আবদুল কাইয়ুমের মতে, পদোন্নতি ও পদায়নে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিয়ে পুলিশের চেইন অব কমান্ড শক্ত করতে হবে। হত্যা, নির্যাতন, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে যাচাই ছাড়া কোনো সদস্যকে হয়রানি বা শাস্তি দেওয়া যাবে না। সাবেক এই আইজিপি আরও বলেন, পুলিশ সদস্যরা ঘুষ, ক্ষমতাসীনদের তোষণ, অসদাচরণ ও মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে বাহিনীর ভাবমূর্তি ও জনসমর্থন ফিরবে না। তাঁর মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য পুলিশের মনোবল ফেরানোর পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং মানুষের আস্থা অর্জন করাও জরুরি।

২০২৪ সালের আগস্টে থানা ও পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গুলির একটি অংশ এখনো উদ্ধার হয়নি।

সৌদি আরবে বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলায় নিহত ৪ সৌদি আরবে বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলায় নিহত ৪ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা খুলনা ও বাগেরহাটে সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা ও বাগেরহাটে সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কে প্রতিদিন নিহত ৬৬, পঙ্গু ১০৪: কেন এত দুর্ঘটনা? সড়কে প্রতিদিন নিহত ৬৬, পঙ্গু ১০৪: কেন এত দুর্ঘটনা? ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য জরুরি: তথ্যমন্ত্রী ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য জরুরি: তথ্যমন্ত্রী বিএনপির রাজনীতিতে 'গুপ্ত' স্লোগান ও অভ্যন্তরীণ সংকট বিএনপির রাজনীতিতে ‘গুপ্ত’ স্লোগান ও অভ্যন্তরীণ সংকট ডিজে পার্টির আড়ালে মাদক সেবন ও অনৈতিক কার্যকলাপ: অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান ডিজে পার্টির আড়ালে মাদক সেবন ও অনৈতিক কার্যকলাপ: অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান আগামীকাল খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে ফের প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে ফের প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ব্যাটিং বিপর্যয়ে আফগানিস্তানের কাছে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ে আফগানিস্তানের কাছে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় বাংলাদেশের
সব খবর