শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে আট উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য সফরকারীদের প্রয়োজন ছিল ১০৬ রান। বৃষ্টিতে খেলা কিছু সময় বন্ধ থাকলেও, খেলা শুরুর পর ক্যারিবীয়রা খুব দ্রুতই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ৩৫.১ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান তুলে তারা জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচটিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। সাদমান ইসলামের ১০৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের ওপর ভর করে স্বাগতিকরা প্রথম ইনিংসে ২৭২ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস থামে ২৪৫ রানে, ফলে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পায়। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ১৪২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংস। দলের পক্ষে নাঈম হাসান সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রস্টন চেজ ৩৬ রান দিয়ে ৫টি এবং জোমেল ওয়ারিকান ৬৩ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন।
জয়ের জন্য ১৭০ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ও ব্র্যান্ডন কিং ১১২ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। ক্যাম্পবেল ৫৫ বলে ৪৯ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে বোল্ড হন। এরপর হাসান মাহমুদের বলে আউট হন তাগেনারাইন চন্দরপল। তবে ব্র্যান্ডন কিং ১১৫ বলে ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন এবং কাভেম হজ ২৭ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ও হাসান একটি করে উইকেট পেলেও অন্য বোলাররা তেমন চাপ সৃষ্টি করতে পারেননি। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোমেল ওয়ারিকান ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন। প্রথম ইনিংসে লিড পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ এই হারের মুখোমুখি হয়েছে।
১৫.৪ ওভার বল করে ৩৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি।
তাদের বোলিংয়েই মাত্র ৪৮.৪ ওভারে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।

















