ব্রিকস জোটের ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনেই মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে জোটের সদস্য দেশগুলো। শনিবার গৃহীত যৌথ ঘোষণাপত্রে এই অঞ্চলে চলমান সংঘাতের লাগাম টানার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। জোটের সদস্য দেশ হিসেবে ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এই ঘোষণাপত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়ে স্বাক্ষর করেছে।
সম্মেলন চলাকালে নয়াদিল্লিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দুই নেতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সংঘাত নিরসন এবং শান্তি ও উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সম্মেলনে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’য় সুনির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করা হলেও সব ধরনের একতরফা সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। ঘোষণাপত্রে প্রতিটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি সাধারণ বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস দেশগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই যুদ্ধ ওই অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ বয়ে এনেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বার্থের পরিপন্থি। যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্রিকস সদস্য দেশগুলোকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

















