টরন্টো স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম নাটকীয় এক মুহূর্তের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ম্যাচে ২-১ গোলে পিছিয়ে থাকা ক্রোয়েশিয়া ইনজুরি টাইমের ত্রয়োদশ মিনিটে (৯০+১৩) ইয়োস্কা গাভার্দিওলের গোলে সমতা ফেরানোর উল্লাসে মেতে উঠেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তির সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তে তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় এবং পর্তুগাল টিকে থাকে।
ম্যাচ চলাকালীন প্রিমিয়ার লীগের ভিডিও রেফারি জ্যারেড জিলেট ভিএআর মনিটরে পুরো ঘটনাটি পুনরায় পরীক্ষা করেন। তার মূল লক্ষ্য ছিল বিল্ড-আপের সময় ক্রোয়েশিয়ার ইগর মাতানোভিচের মাথায় বল স্পর্শ করেছিল কি না, তা নিশ্চিত করা। দীর্ঘ সময় ধরে রিপ্লে দেখার পর রেফারি এসপেন এসকাস চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
ক্রিকেটীয় স্নিকোমিটারের মতো আধুনিক মাইক্রোচিপ প্রযুক্তি ‘সাউন্ডস্ক্যান’-এর মাধ্যমে বল ও মাথার সূক্ষ্ম স্পর্শের কম্পন শনাক্ত করা হয়। এই প্রযুক্তির স্পাইক বা কম্পন বিশ্লেষণ করেই গোলটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। এই প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন ফুটবল অঙ্গনে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা চলছে।

















