বিশ্ব

গাজায় নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় তিন বছর পরও হাজারো পরিবার

প্রতিবেদক
কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতি, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ যান চলাচল কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতি, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ যান চলাচল নাটোরের লালপুরে গাঁজা গাছসহ এক ব্যক্তি আটক নাটোরের লালপুরে গাঁজা গাছসহ এক ব্যক্তি আটক বিএনপি জুলাইয়ের চেতনা ভুলে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে: ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বিএনপি জুলাইয়ের চেতনা ভুলে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে: ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ফেসবুকে বড় পরিবর্তন: বন্ধ হচ্ছে জনপ্রিয় ‘রিচ’ ফিচার ফেসবুকে বড় পরিবর্তন: বন্ধ হচ্ছে জনপ্রিয় ‘রিচ’ ফিচার দুর্নীতি রোধে রাজনৈতিক নেতাদের আগে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী দুর্নীতি রোধে রাজনৈতিক নেতাদের আগে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আপসহীন থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আপসহীন থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাশিয়ায় যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশি: অনেকের মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার রাশিয়ায় যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশি: অনেকের মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার ভোলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতাকর্মীরা ভোলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতাকর্মীরা সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা
সব খবর

গাজায় যুদ্ধ শুরুর তিন বছর পেরিয়ে গেলেও হাজারো ফিলিস্তিনি পরিবার এখনো তাদের নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে অনিশ্চিত অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে। ইসরায়েলি স্থল অভিযানের সময় নিজ এলাকা বা আশ্রয়শিবির থেকে, ত্রাণের সন্ধানে বেরিয়ে, বাড়িঘরের খোঁজ নিতে গিয়ে কিংবা তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছাকাছি যাওয়ার পর অসংখ্য মানুষ আর তাদের পরিবারের কাছে ফেরেননি। প্রিয়জন বেঁচে আছেন নাকি আটক হয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন নাকি অজ্ঞাত মরদেহের মধ্যে রয়েছেন—কোনো নিশ্চিত তথ্য না পাওয়ায় এসব পরিবার গভীর যন্ত্রণার মধ্যে দিন পার করছে।

স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাজায় বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ বা নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন। এই তালিকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া এবং জোরপূর্বক গুমের শিকার হয়েছেন বলে সন্দেহ করা ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত। ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড ফরসিবলি ডিসঅ্যাপিয়ার্ডের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ঘোষিত যুদ্ধবিরতি পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষ জোরপূর্বক গুমের শিকার হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে এসব মানুষ পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি এবং তাদের পরিণতি এখনো অজানা।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজা থেকে আটক ব্যক্তিদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেনি। একই সঙ্গে গাজায় ফেরত দেওয়া প্রায় ৬২০টি মরদেহের পরিচয়ও নিশ্চিত করা হয়নি। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর জন্য অপেক্ষার প্রতিটি দিনই নতুন এক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রিয়জন জীবিত না মৃত, আটক না নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের নিচে নাকি অজ্ঞাত মরদেহের তালিকায়—কোনোটিই নিশ্চিতভাবে জানতে না পারায় তারা শোক করবেন নাকি ফিরে আসার আশায় অপেক্ষা করবেন, সেই সিদ্ধান্তও নিতে পারছেন না।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এমন তিনটি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে, যাদের স্বজন যুদ্ধের সময় নিখোঁজ হয়েছেন।

মধ্য গাজা শহরের আল-নাফাক সড়কের একটি ছোট তাঁবুতে তিন বছর ধরে ছেলের অপেক্ষায় আছেন সাংবাদিক নিদাল আল-ওয়াহিদির মা-বাবা। তারা মোবাইল ফোনে ছেলের ছবি দেখে সময় কাটান। বাড়িতে বোমা হামলায় তাদের ঘরবাড়ি ও ছেলের জিনিসপত্র ধ্বংস হওয়ার পর এই ছবিগুলোই এখন তাদের কাছে নিদালের স্মৃতি ধরে রাখার একমাত্র মাধ্যম। নিদালের বাবা ৬২ বছর বয়সী সুহাইল আল-ওয়াহিদি বলেন, “আমাদের করার মতো কিছু নেই। শুধু ছেলের ছবি দেখি আর অপেক্ষা করি। তিন বছর ধরে আমরা শুধু অপেক্ষা করেছি এবং ছেলের কোনো খবর পাওয়ার আশা করেছি।”

নিদাল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ভোরে সহকর্মীদের সঙ্গে উত্তর গাজার এরেজ ক্রসিং এলাকায় গিয়েছিলেন। হামাসের হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সুহাইল জানান, “নিদাল সব সময় আমাদের চিন্তায় থাকে। আমরা আশাবাদী থাকার চেষ্টা করি এবং তার কাছ থেকে কোনো খবর পাওয়ার অপেক্ষায় থাকি।” ছেলের সন্ধানে রেড ক্রসসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তারা কোনো তথ্য পাননি। তিনি আরও বলেন, “আমরা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কাছে বহুবার আবেদন করেছি। কোনো আবেদনই আমাদের সাহায্য করেনি। এই যুদ্ধে দুঃখজনকভাবে মানবাধিকারের কোনো সম্মান নেই।” নিদাল শুধু তার ছেলে ছিলেন না, ছিলেন পরিবারের অবলম্বন এবং সুহাইলের ডান হাত। সুহাইল বলেন, “এখন তাকে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে। আমি প্রায়ই ভাবি, সে যদি এখানে থাকত, এই কঠিন দিনগুলো কতটা সহজ হতো।”

৫৯ বছর বয়সী সাঈদ হাজ্জাজ এবং তার ছেলে কাসেম হাজ্জাজ (নিখোঁজ হওয়ার সময় বয়স ১৭) ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। মধ্য গাজা শহরের ফিলিস্তিন স্টেডিয়ামে বাস্তুচ্যুত হয়ে একটি তাঁবুতে থাকেন সাঈদের স্ত্রী ৫২ বছর বয়সী মোনা হাজ্জাজ। রাতে ঘুমানোর আগে হৃদ্‌রোগের ওষুধ খাওয়ার পর দুই মেয়ের সঙ্গে স্বামী ও ছেলের স্মৃতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। তাদের মেয়ে ৩৫ বছর বয়সী নিসরিন হাজ্জাজ জানান, “আমার বাবা ও ছোট ভাইকে হারানোর কষ্টে আমরা সব সময় শোকের মধ্যে আছি। আমরা বিয়ের অনুষ্ঠানে যাই না। দুই বছরের বেশি সময় ধরে আমরা মিষ্টিও খাইনি।” স্বামী ও ছেলের নিখোঁজ হওয়ার পর তার মায়ের হৃদ্‌রোগের সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং দিন-রাত কান্নার কারণে তার দৃষ্টিশক্তিও দুর্বল হয়ে পড়েছে।

২০২৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের সময় হাজ্জাজ পরিবার উত্তর গাজা শহরের শেখ রাদওয়ানে আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে আশপাশের বাড়িঘর ধ্বংস করার পর ইসরায়েলি বাহিনী হাজ্জাজ পরিবারের বাড়িতেও প্রবেশ করে। পরিবারের সদস্যরা জানান, নারীদের দক্ষিণ গাজায় চলে যেতে বাধ্য করা হয় এবং পুরুষদের আটক করা হয়। নিসরিন বলেন, “আমরা শেষবার বাবা ও ভাইকে দেখেছিলাম নগ্ন, হাতকড়া পরানো, নির্যাতিত ও অপমানিত অবস্থায়। এরপর থেকে তাঁদের বিষয়ে আমরা আর কিছুই জানি না। তাঁরা কোথায় আছেন বা কী অবস্থায় আছেন, কিছুই জানি না।” তথ্য জানতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এই অনিশ্চয়তা পরিবারের প্রতিটি মুহূর্তকে প্রভাবিত করেছে। নিসরিন বলেন, “তাঁরা এখনো আমাদের জীবনের অংশ। কিন্তু আমরা জানি না, তাঁদের জন্য শোক করব, নাকি তাঁদের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকব।” তিনি আরও বলেন, “যাদের ওপর আমরা নির্ভর করতাম, তাঁদের ছাড়াই আমাদের চলতে হচ্ছে। দুঃখজনকভাবে সহায়তা সংস্থাগুলোও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে না, কারণ তাঁদের শহীদ বা বন্দি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি।” হাজ্জাজ পরিবার তাদের স্বজনেরা মারা গেছেন এমন কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর কথা মেনে নিতে রাজি নয়। এখনো তারা ফিরে আসার আশায় আছেন। নিসরিন বলেন, “আমার বোনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার খরচ বহনের জন্য একটি বৃত্তি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর জন্য মৃত্যুসনদ প্রয়োজন ছিল। আমরা তা দিতে অস্বীকার করি এবং বৃত্তিটিও ছেড়ে দিই। কারণ, এখনো যদি সামান্যও আশা থাকে যে সে জীবিত অবস্থায় ফিরে আসতে পারে, তাহলে আমরা সেই সম্ভাবনাকে শেষ করে দিতে চাই না।” এই নিখোঁজের ঘটনা পরিবারটির আর্থিক ও দৈনন্দিন জীবনেই শুধু প্রভাব ফেলেনি; কেড়ে নিয়েছে বহু প্রতীক্ষিত পারিবারিক আনন্দও। নিসরিন বলেন, “আমার ভাইয়ের স্ত্রী যখন নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখন বাবা তাঁর প্রথম নাতিকে দেখার জন্য অধীর হয়ে অপেক্ষা করছিলেন। দাদা হওয়া ছিল তাঁর স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণ হলেও তিনি তা দেখার জন্য সেখানে ছিলেন না।”

গাজায় নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে গঠিত একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ৪৮ বছর বয়সী আলা আবু শাবান নিয়মিত তার ছোট ভাই মোহাম্মদের একটি ছবি পোস্ট করেন। তিনি জানতে চান, কেউ তাকে দেখেছেন বা তার কোনো খবর জানেন কি না। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরু হলে আলা পূর্ব দেইর আল-বালাহ থেকে তার ভাই মোহাম্মদের পরিবারকে সরিয়ে পারিবারিক বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তার স্ত্রী ও সন্তানরা আলার সঙ্গে চলে গেলেও মোহাম্মদ বাড়িতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আলা বলেন, “সে আমাকে বলেছিল, সবকিছু দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। বাড়ি খালি রেখে যাওয়ার কোনো মানে হয় না।” তিনি আরও বলেন, “সেদিন বিকেলেও আমরা কথা বলেছিলাম এবং তাকে চলে আসতে বলেছিলাম। সে বলেছিল, সে চলে আসবে। এরপর সেটিই ছিল তার সঙ্গে আমাদের শেষ কথা।”

এর প্রায় দুই মাস পর মোহাম্মদের ফোন থেকে এক আত্মীয়ের কাছে একটি বার্তা আসে। সেখানে মোহাম্মদ জানান, তিনি দেইর আল-বালাহ সংলগ্ন ইসরায়েলের অভ্যন্তরের কিসুফিম এলাকায় আছেন এবং পরিবারের সদস্যদের তাকে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু ওই এলাকা তখন এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে পরিবারটি সেখানে যেতে পারেনি। আলা বলেন, “তিন বছর ধরে আমরা জানি না আমার ভাইয়ের কী হয়েছে, সে কীভাবে নিখোঁজ হলো, কোথায় আছে কিংবা সে জীবিত কি না।” মুক্তি পাওয়া কয়েকজন বন্দি তাদের জানিয়েছেন, তারা ওফার কারাগারে মোহাম্মদের নাম শুনেছেন। এরপর পরিবারটি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কেউ তার অবস্থান নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। আলা বলেন, “এত দিন ধরে আমরা এই যন্ত্রণাদায়ক অপেক্ষার মধ্যে আছি। এখন আমরা তার পরিবারের দেখাশোনা করি। কিন্তু তার বড় ছেলে ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় নিহত হয়েছে।” ভাইয়ের নিখোঁজ হওয়ার অনিশ্চয়তা তাদের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের স্বাস্থ্যের ওপরও বড় প্রভাব ফেলেছে বলে জানান আলা। তিনি বলেন, “আমার বাবা ও পরিবারের সবাই বিশ্বাস করেন, মোহাম্মদ একদিন ফিরে আসবে। এই আশাটাই তারা ধরে রেখেছেন, যদিও এর সঙ্গে অনেক কষ্টও আছে। কিন্তু তার কোনো খবর না পাওয়ায় তারা উদ্বেগ ও শোকে ভেঙে পড়ছেন।” এখনো মুক্তি পাওয়া বন্দিদের কাছে ভাইয়ের ছবি দেখিয়ে তার বিষয়ে জানতে চান আলা। তিনি বলেন, “অনেক রাতে ভাইকে মনে করে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়ি। সে আমাকে যে সহযোগিতা করত, সেটিও খুব মনে পড়ে। সবচেয়ে কষ্ট হয়, তার বাবা নিখোঁজ থাকার সময় আমরা তার বড় ছেলেকে রক্ষা করতে পারিনি। ছেলেটিও নিহত হয়েছে।”

গাজায় নিখোঁজ মানুষের পরিবারগুলোর জন্য তাই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও অপেক্ষার অবসান হয়নি। প্রিয়জনের কোনো নিশ্চিত খবর না পাওয়া পর্যন্ত তাদের জীবন যেন আশা, উৎকণ্ঠা ও শোকের মাঝামাঝি এক অনিশ্চিত অবস্থায় আটকে আছে।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতি, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ যান চলাচল কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতি, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ যান চলাচল নাটোরের লালপুরে গাঁজা গাছসহ এক ব্যক্তি আটক নাটোরের লালপুরে গাঁজা গাছসহ এক ব্যক্তি আটক বিএনপি জুলাইয়ের চেতনা ভুলে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে: ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বিএনপি জুলাইয়ের চেতনা ভুলে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে: ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ফেসবুকে বড় পরিবর্তন: বন্ধ হচ্ছে জনপ্রিয় ‘রিচ’ ফিচার ফেসবুকে বড় পরিবর্তন: বন্ধ হচ্ছে জনপ্রিয় ‘রিচ’ ফিচার দুর্নীতি রোধে রাজনৈতিক নেতাদের আগে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী দুর্নীতি রোধে রাজনৈতিক নেতাদের আগে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আপসহীন থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আপসহীন থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাশিয়ায় যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশি: অনেকের মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার রাশিয়ায় যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশি: অনেকের মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার ভোলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতাকর্মীরা ভোলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতাকর্মীরা সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, কঠোর হুঁশিয়ারি নিরাপত্তা কর্মকর্তার ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা
সব খবর