ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে বহিরাগত এক ব্যক্তির অননুমোদিত ভিডিও ধারণ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের একান্ত সচিব ও উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজের কাছে এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজ জানান, উপাচার্য মহোদয় প্রোগ্রামে ব্যস্ত থাকায় তিনি স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছেন এবং পরে তা উপাচার্যের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট (রবিবার) দুপুর দেড়টার দিকে ইইই বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এ বিষয়ে বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামানের উপস্থিতিতে আলোচনা চলাকালে এক অপরিচিত বহিরাগত ব্যক্তি না জানিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। বিষয়টি টের পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাকে বাধা দিলে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও হুমকি দেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সেলের কর্মকর্তারা এসে ওই ব্যক্তির মোবাইল ফোনটি হেফাজতে নেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার পরিবেশ ক্ষুণ্ণ করছে। এ অবস্থায় তারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত কারণ উদঘাটন, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বন্ধ এবং বহিরাগতদের বিভাগে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, তিনি তার পিএসের মাধ্যমে একটি ডকুমেন্ট পেয়েছেন। তার জানা মতে, বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপরও তিনি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন। এর আগে ১৬ আগস্ট ব্যক্তিগত কক্ষে অনুমতি ছাড়া দুই শিক্ষকের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল।

















