আজ ৫ আগস্ট, ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি। ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে পরিচিত এই দিনে দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশের মুক্তিকামী মানুষ নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছিলেন। ঐতিহাসিক এই দিবসটি উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে এবং নানা বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের এই অভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বিজয়। তিনি শহীদদের স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
দিনটি ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করবেন। এরপর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হবে। এছাড়া রাজধানীসহ দেশের ৬৪ জেলায় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ শীর্ষক কনসার্টসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

















