গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ সাত দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে। আজ শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে এই লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
যাত্রা শুরুর আগে সকাল সাতটায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে একটি উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশস্থলে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমবেত হন। এই লংমার্চে ঢাকা থেকে ৬ শতাধিক গাড়ি অংশ নিচ্ছে এবং পথিমধ্যে আরও প্রায় দেড় হাজার গাড়ি যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ সোয়া চারশত কিলোমিটার সড়কজুড়ে ১৯ জেলার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এই বিশাল শোডাউনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
লংমার্চের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে যাত্রা করে পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় সকাল ৯টায় প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাটাখালীর মোড়ে সকাল ১১টায়, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বরে বেলা সাড়ে ১২টায় এবং ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে দুপুর ২টায় পথসভা নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া বিকেলে যশোরের মুড়লীর মোড়ে সাড়ে ৩টায় এবং ঝিনাইদহের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে ৫টায় পথসভা শেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হবে।
উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম লংমার্চের মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্য তাদের দাবিগুলো তুলে ধরে। প্রাথমিকভাবে ছয় দফা দাবি থাকলেও পরে দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি যুক্ত হয়ে তা সাত দফায় উন্নীত হয়। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিও যুক্ত করা হয়। আগের ধারাবাহিকতায় এবারের লংমার্চকে সফল করতে জামায়াত জোট বিশেষ তৎপরতা চালাচ্ছে।

















